বাংলাদেশে সুপ্রিম কোর্টে রিট পিটিশন: কখন ও কীভাবে দাখিল করবেন
লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-03-28
⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়।
সরাসরি পরামর্শের জন্য
+880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।
সরকারি সংস্থা বেআইনি কাজ করছে, মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে, বা নিম্ন আদালতের আদেশ অন্যায় মনে হচ্ছে — এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দাখিলের সুযোগ রয়েছে। সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে এই ক্ষমতা স্বীকৃত।
রিটের পাঁচটি প্রকার
বাংলাদেশে পাঁচ ধরনের রিট প্রযোজ্য:
- হেবিয়াস কর্পাস: বেআইনি আটক থেকে মুক্তির জন্য।
- মান্দামাস: সরকারি কর্তৃপক্ষকে আইনি দায়িত্ব পালনে বাধ্য করতে।
- সার্টিওরারি: নিম্ন আদালত বা কর্তৃপক্ষের বেআইনি আদেশ বাতিল করতে।
- প্রোহিবিশন: কোনো কর্তৃপক্ষকে এখতিয়ার বহির্ভূত কাজ করতে নিষেধ করতে।
- কো-ওয়ারান্টো: কারো পদ দাবির আইনি ভিত্তি প্রশ্ন করতে।
রিট পিটিশনের প্রক্রিয়া
হাই কোর্টে রিট পিটিশনের ধাপ:
- রিট প্রস্তুত করুন: আইনজীবী রিট পিটিশন ও সহায়ক হলফনামা প্রস্তুত করবেন।
- হাই কোর্টে দাখিল করুন।
- প্রাথমিক শুনানি: একজন বিচারপতি রিটে রুল জারি করবেন কি না সিদ্ধান্ত নেবেন।
- রুল জারি হলে: সরকার বা সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।
- চূড়ান্ত শুনানি ও রায়।
অ্যাডভোকেট শাহ আলম বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারি সংস্থা, ভূমি কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের বিরুদ্ধে রিট মামলায় প্রতিনিধিত্ব করেন। পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন।
রুল জারি ও অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ
রিট দাখিলের পর আদালত রুল নিশি জারি করতে পারে — প্রতিপক্ষকে কারণ দর্শাতে বলা হয়। একই সাথে আদালত অন্তর্বর্তী আদেশে:
- বেআইনি কার্যক্রম স্থগিত রাখার আদেশ দিতে পারে।
- সরকারি আদেশের কার্যকারিতা সাময়িক শেষ করতে পারে।
অন্তর্বর্তী আদেশ প্রায়ই চূড়ান্ত বিজয়ের মতই কার্যকর হয়।