লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-10
জমির স্বত্ব ও রেকর্ড প্রমাণের জন্য আরএস (Revisional Survey) খতিয়ান অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নথি। অনলাইনে আরএস পর্চা অনুসন্ধান ও ভুয়া খতিয়ান চেনার ১০+ কৌশল জানুন। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর লিগ্যাল সার্চিং সেবা নিন।
সিএস ও এসএ জরিপের ভুলত্রুটি সংশোধন করে প্রস্তুতকৃত জরিপ হলো আরএস খতিয়ান। জমিতে স্বত্ব প্রমাণের জন্য আরএস খতিয়ান অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য।
সরকারি ডিসি অফিসের জলছাপ, বালাম বইয়ের ভলিউম নম্বর এবং কিউআর কোডের সত্যতা আসল পর্চার প্রমাণ দেয়। হাতে লেখা ভুয়া সিলযুক্ত পর্চা থেকে সতর্ক থাকুন।
ভারত উপমহাদেশের প্রাচীন জরিপ সিএস (১৯১০-১৯২০), জমিদারি উচ্ছেদের পর এসএ (১৯৫৬), পরবর্তীতে আরএস এবং চলমান বিএস/সিটি জরিপ।
মৌজা ম্যাপ ও দাগ সূচি (Comparative Map) ব্যবহার করে সাবেক দাগ থেকে হাল দাগ মেলানো হয়।
রেকর্ড ভুল হলে জজ আদালতে রেকর্ড সংশোধন স্যুট দায়ের করতে হয়।
সাধারণ আবেদনের ক্ষেত্রে ১০০ টাকা এবং জরুরী আবেদনের ক্ষেত্রে বাড়তি সরকারি ফি দিয়ে রেকর্ড রুম থেকে তোলা যায়।
জমি ক্রয়ের পূর্বে অভিজ্ঞ অ্যাডভোকেট দ্বারা টাইটেল সার্চিং (Title Search) করিয়ে নেওয়া বাঞ্ছনীয়।
উত্তর: সরাসরি জেলা প্রশাসকের রেকর্ড রুমে মৌজা ও দাগ নম্বর দিয়ে হাতে তল্লাশি দিন।
জমির পর্চা ও দলিল নিখুঁত যাচাইয়ে আমাদের সাহায্য পেতে ক্লিক করুন। যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।