লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-03-19 · ৭ মিনিট পড়ুন
অনেক দম্পতি শিশু দত্তক নিতে চান, কিন্তু বাংলাদেশে মুসলিম আইনে পশ্চিমা দেশের মতো আনুষ্ঠানিক দত্তক বৈধ নয়। তবে আইন বিকল্প পথ রেখেছে — অভিভাবকত্ব — যা অনেক ক্ষেত্রে একই সুরক্ষা দেয়। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
সংক্ষিপ্ত উত্তর: মুসলিমদের জন্য না। বাংলাদেশে মুসলিমদের ক্ষেত্রে ইসলামি আইনে আনুষ্ঠানিক দত্তক স্বীকৃত নয়। মুসলিম আইনে দত্তক নেওয়া শিশু জৈবিক সন্তানের মর্যাদা পায় না এবং উত্তরাধিকার সত্ত্বও পায় না।
তবে অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন ১৮৯০-এর অধীনে আদালতের মাধ্যমে আইনি অভিভাবকত্ব নেওয়া সম্ভব — যা বাস্তবে দত্তকের অনেক সুবিধাই দেয়। আপনার পরিস্থিতিতে কী প্রযোজ্য তা জানতে একজন পারিবারিক আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
কাফালা (كفالة) হল ইসলামি আইনে স্বীকৃত শিশুর লালন-পালনের ব্যবস্থা। কাফিল (অভিভাবক) শিশুকে নিজের কাছে রেখে লালন-পালন করেন, কিন্তু শিশু তার নিজ পরিচয় ও বংশনাম বজায় রাখে। কাফালার মূল বৈশিষ্ট্য:
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
পারিবারিক আদালতে অভিভাবকত্বের আবেদনের ধাপ:
পুরো প্রক্রিয়ায় ৩ থেকে ৬ মাস লাগতে পারে। একজন পারিবারিক আইনজীবী আবেদন পরিচালনা করবেন।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।
ইসলামি আইনে আনুষ্ঠানিক দত্তক নয়। তবে অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন ১৮৯০-এর অধীনে আইনি অভিভাবকত্ব নিতে পারেন এবং ওসিয়ত ও হেবার মাধ্যমে শিশুর জন্য সম্পদ নিশ্চিত করতে পারেন।
ইসলামি আইনে শিশু নিজের জন্মনাম বজায় রাখে। তবে সামাজিকভাবে ও বিদ্যালয়ে পরিবারের নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহার হতে পারে।
আন্তর্জাতিক দত্তক বাংলাদেশ থেকে অত্যন্ত কঠিন ও কার্যত অসম্ভব। কোনো স্বীকৃত আইনি কাঠামো নেই।