বাংলাদেশে শ্রমিকের অধিকার — শ্রম আইন সম্পূর্ণ গাইড
লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-12 · ৯ মিনিট
⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়।
সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।
বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ শ্রমিক ও কর্মচারীদের অধিকার সুরক্ষা করে। চাকরি থেকে অন্যায়ভাবে বরখাস্ত, বেতন না পাওয়া বা কর্মক্ষেত্রে নির্যাতন হলে আইনি পথে প্রতিকার পাওয়া সম্ভব। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
⚡ শ্রমিকের মূল অধিকার
ন্যূনতম মজুরি পাওয়ার অধিকার (সেক্টর অনুযায়ী নির্ধারিত)
বার্ষিক ছুটি: ১৮ দিন (প্রতি ১৮ কার্যদিবসে ১ দিন)
মাতৃত্বকালীন ছুটি: ৮ সপ্তাহ বেতনসহ
অন্যায় ছাঁটাইয়ে ক্ষতিপূরণ ও শ্রম আদালতে মামলা
কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মালিকের দায়িত্ব
বাংলাদেশ শ্রম আইন — ভূমিকা
বাংলাদেশে শ্রমিকদের অধিকার প্রধানত বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এবং বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন ২০১৩ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
এই আইন প্রযোজ্য:
কারখানা, দোকান, প্রতিষ্ঠান, নির্মাণ কাজের শ্রমিক
গৃহকর্মীদের জন্য পৃথক বিধান আছে
সরকারি কর্মচারীদের জন্য সরকারি চাকুরি বিধিমালা প্রযোজ্য
শ্রম আদালতে মামলা করুন। এক মাসের বেতন বা নোটিশ না দিলে মালিক আইন লঙ্ঘন করেছেন। আদালত ক্ষতিপূরণ বা পুনর্বহালের আদেশ দিতে পারে।
বেতন না পেলে কোথায় যাব?
প্রথমে লিখিতভাবে মালিককে দাবি করুন। সমাধান না হলে শ্রম পরিদর্শকের কাছে অভিযোগ করুন বা শ্রম আদালতে মামলা করুন।
ওভারটাইমের হার কি?
সাধারণ মজুরির দ্বিগুণ হারে ওভারটাইম পরিশোধ করতে হবে। দৈনিক ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে অতিরিক্ত সময়ের জন্য এই হার প্রযোজ্য।
মাতৃত্বকালীন ছুটি কতদিন?
বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী ৮ সপ্তাহ (৫৬ দিন) মাতৃত্বকালীন ছুটি পাওয়ার অধিকার আছে এবং এই সময়ে পূর্ণ বেতন দিতে হবে।
শ্রম আদালতে মামলার খরচ কত?
শ্রম আদালতে ফি সাধারণ আদালতের তুলনায় অনেক কম। গরিব শ্রমিকরা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি থেকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পেতে পারেন।
দায়বর্জন (Disclaimer): এই আর্টিকেলে পরিবেশিত তথ্যসমূহ কেবল আইনি সচেতনতা ও সাধারণ শিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। এটি কোনো প্রত্যক্ষ আইনি পরামর্শ (Legal Advice) নয় এবং এর মাধ্যমে কোনো আইনজীবী-মক্কেল সম্পর্ক (Attorney-Client Relationship) তৈরি হয় না। আপনার সুনির্দিষ্ট মামলার আইনি প্রতিকারের জন্য সরাসরি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বা জজ কোর্টের তালিকাভুক্ত বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।
আইনি সহায়তা বা জরুরি পরামর্শের প্রয়োজন?
যোগাযোগ করুন এডভোকেট মোঃ শাহ আলম: +880 1712-655546 |
WhatsApp
উত্তরা চেম্বার: বাড়ি ৪৬, রোড ৬/বি, সেক্টর ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
কোর্ট চেম্বার: আইনজীবী সমিতি ভবন, ৪র্থ তলা, ৬/৭ কোর্ট হাউস স্ট্রিট, কোতোয়ালি, ঢাকা-১১০০