লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-10-19 · 12 min read
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটি শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে ফেলে তা হলো নিজের সব তথ্য সঠিক থাকলেও এসএসসি বা এইচএসসি সার্টিফিকেটে পিতা কিংবা মাতার নামের বানানে ভুল থাকা, কিংবা পিতা-মাতার এনআইডি/পাসপোর্টের সাথে সনদের নামের বড় ধরনের গরমিল থাকা। সরকারি চাকরি, উত্তরাধিকার সনদ, পাসপোর্ট ইস্যু বা বিদেশে পারিবারিক স্পন্সরশিপের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুতর আইনি বাধা। তবে পিতা-মাতা কর্তৃক বিজ্ঞ ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হলফনামা সম্পাদন এবং শিক্ষা বোর্ডের নাম ও বয়স সংশোধন কমিটির মাধ্যমে এটি শতভাগ আইনিভাবে সমাধানযোগ্য।
| বিষয় / শর্ত | সরকারি নিয়ম, ফি ও আইন (২০২৬) |
|---|---|
| প্রযোজ্য আইন ও আদালত | বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ (CrPC) ও সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ |
| আগাম ও নিয়মিত জামিন | হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮ CrPC) ও ম্যাজিস্ট্রেট/দায়রা আদালতে নিয়মিত জামিন |
| সরকারি পোর্টাল ও যাচাই | supremecourt.gov.bd, judiciary.gov.bd, pcc.police.gov.bd ও land.gov.bd |
| জরুরি আইনি পরামর্শ চেম্বার | অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট) — ০১৭১২-৬৫৫৫৪৬ |
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটি শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে ফেলে তা হলো নিজের সব তথ্য সঠিক থাকলেও এসএসসি বা এইচএসসি সার্টিফিকেটে পিতা কিংবা মাতার নামের বানানে ভুল থাকা, কিংবা পিতা-মাতার এনআইডি/পাসপোর্টের সাথে সনদের নামের বড় ধরনের গরমিল থাকা। সরকারি চাকরি, উত্তরাধিকার সনদ, পাসপোর্ট ইস্যু বা বিদেশে পারিবারিক স্পন্সরশিপের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুতর আইনি বাধা। তবে পিতা-মাতা কর্তৃক বিজ্ঞ ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হলফনামা সম্পাদন এবং শিক্ষা বোর্ডের নাম ও বয়স সংশোধন কমিটির মাধ্যমে এটি শতভাগ আইনিভাবে সমাধানযোগ্য।
বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা আইন ও বিচার বিভাগের সুনির্দিষ্ট বিধিমালার আলোকে যেকোনো সনদের ভুল বা তথ্যের অসঙ্গতি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হলফনামার মাধ্যমে আইনগতভাবে নিষ্পত্তিযোগ্য।
প্রশাসনিক যেকোনো কাজে বা শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী নোটারি পাবলিকের চেয়ে ১ম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (First Class Judicial Magistrate) কর্তৃক সম্পাদিত এফিডেভিটের আইনি গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতীত। ৩০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে প্রার্থীর উপস্থিতিতে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের সিল ও স্বাক্ষরে এটি সম্পন্ন হয়।
পিতা-মাতার নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পিতা বা মাতাকে ১ম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে হলফনামা সম্পাদন করতে হবে। এরপর পিতা-মাতার ডিজিটাল এনআইডি, প্রার্থীর প্রাথমিক ও জুনিয়র সনদসহ শিক্ষা বোর্ডের ই-সেবা পোর্টালে অনলাইন আবেদন দাখিল করতে হবে।
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
আবেদনের জন্য মূল সনদ, ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ, পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এবং পাসপোর্ট (যদি থাকে) প্রয়োজন হয়। স্ট্যাম্প ডিউটি ৩০০ টাকা এবং সরকারি বোর্ড ফি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের গেজেট অনুযায়ী প্রযোজ্য হয়।
অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর। সনদপত্র সংশোধন, হলফনামা সম্পাদন, নোটারি এবং শিক্ষা বিষয়ক যেকোনো আইনি সহায়তায় আমাদের উত্তরা বা ঢাকা কোর্ট চেম্বারে সরাসরি সাক্ষাত করতে পারেন।
আমাদের উত্তরা চেম্বারে (হাউস ৪৬, রোড ৬/বি, সেক্টর ১২) প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭:০০টা থেকে রাত ১০:০০টা এবং ঢাকা কোর্ট চেম্বারে সকাল ১০:০০টা থেকে বিকাল ৪:০০টার মধ্যে সরাসরি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে দেখা করতে পারেন।
আমাদের চেম্বার থেকে সাধারণত ১ কার্যদিবসের মধ্যেই ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এফিডেভিটের যাবতীয় ড্রাফটিং ও কোর্ট সিল-স্বাক্ষর সম্পন্ন করিয়ে দেওয়া হয়।