লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-09-10 · ১৫ মিনিট
<p>বিশ্বাসের ওপর নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তি করে বা প্রমিজরি নোটে (Promissory Note) টাকা ধার দিয়েছিলেন, কিন্তু নির্দিষ্ট মেয়াদ পার হলেও দেনাদার টাকা ফেরত দিচ্ছে না বা অস্বীকার করছে? <strong>দেরি না করে অবিলম্বে দেওয়ানি আদালতে মানি স্যুট এবং দণ্ডবিধির আওতায় প্রতারণার মামলা করে পাওনা টাকা শতভাগ আদায় করুন।</strong> বাণিজ্যিক ও আর্থিক আইন বিশেষজ্ঞ: <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold">অ্যাডভোকেট মোঃ শাহ আলম</a> — <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold">📞 01712655546</a></p>
| বিষয় / শর্ত | সরকারি নিয়ম, ফি ও আইন (২০২৬) |
|---|---|
| প্রযোজ্য আইন ও আদালত | বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ (CrPC) ও সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ |
| আগাম ও নিয়মিত জামিন | হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮ CrPC) ও ম্যাজিস্ট্রেট/দায়রা আদালতে নিয়মিত জামিন |
| সরকারি পোর্টাল ও যাচাই | supremecourt.gov.bd, judiciary.gov.bd, pcc.police.gov.bd ও land.gov.bd |
| জরুরি আইনি পরামর্শ চেম্বার | অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট) — ০১৭১২-৬৫৫৫৪৬ |
বাংলাদেশে চুক্তি আইন (Contract Act 1872) এবং স্ট্যাম্প আইন ১৮৯৯ অনুসারে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সম্পাদিত চুক্তি আইনত বৈধ ও আদালতের কাছে অত্যন্ত শক্তিশালী লিখিত প্রমাণ:
আদালতে যাওয়ার পূর্বে একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে ডাকযোগে এডি (AD) সহ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো বাধ্যতামূলক কৌশল:
নোটিশে দেনাদারকে নোটিশ পাওয়ার ১৫ বা ৩০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ মূল টাকা ও ক্ষতিপূরণ পরিশোধের চরম সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে লিগ্যাল নোটিশ পেলেই দেনাদার আপোসে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য এগিয়ে আসে। নোটিশের জবাব না দিলে তা আদালতে দেনাদারের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অসততার চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
লিগ্যাল নোটিশের মেয়াদান্তে টাকা ফেরত না দিলে দেওয়ানি আদালতে মানি স্যুট দায়ের করতে হয়:
| মামলার ধারা | আদালতের এখতিয়ার | সুবিধা ও প্রক্রিয়া |
|---|---|---|
| সাধারণ মানি স্যুট (Money Suit) | টাকার পরিমাণভেদে সহকারী জজ / যুগ্ম জেলা জজ আদালত | স্বাভাবিক সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ডিক্রি লাভ ও বকেয়া সুদসহ টাকা আদায় |
| সামারি স্যুট (Order 37 Rule 1 & 2 CPC) | জেলা জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আদালত | প্রমিজরি নোট বা স্পষ্ট লিখিত চুক্তির ওপর ভিত্তি করে অতি দ্রুত নিষ্পত্তি; আদালতের বিশেষ অনুমতি (Leave to Defend) ছাড়া বিবাদী মামলা লড়তে পারে না |
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
যদি দেনাদার শুরু থেকেই প্রতারণার উদ্দেশ্যে মিষ্টি কথায় ঋণ নিয়ে থাকে এবং পরে টাকা নিয়ে টালবাহানা বা আত্মসাৎ করে, তবে সরাসরি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি মামলা করা যায়:
দেওয়ানি মামলায় একটি বড় ঝুঁকি থাকে যে রায় হওয়ার আগেই বিবাদী তার স্থাবর বাড়ি-গাড়ি বা জমি বিক্রি করে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করতে পারে। এটি ঠেকাতে দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৮ আদেশের ৫ নিয়মে রায়পূর্ব ক্রোক (Attachment before Judgment) আবেদন করা হয়। আদালত বিবাদীর সম্পত্তি বিক্রি নিষিদ্ধ করে ফ্রিজ করে দেন।
আপনার কষ্টের টাকা কারো হাতে আটকে থাকলে আর সময় নষ্ট করবেন না। তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই লিগ্যাল নোটিশ ও শক্তিশালী মানি স্যুট দায়েরের জন্য আজই যোগাযোগ করুন।
হ্যাঁ, সম্পূর্ণ সম্ভব। দেওয়ানি আদালতে মানি স্যুট (Order 37 CPC) এবং ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতারণার মামলার মাধ্যমে চেক ছাড়াই স্ট্যাম্পের ওপর টাকা আদায় করা যায়।
দাবিকৃত টাকার পরিমাণের ওপর অ্যাড-ভ্যালোরেম কোর্ট ফি নির্ধারিত হয়, যা সাধারণত ২% থেকে ২.৫% (সর্বোচ্চ সিলিং নির্ধারিত থাকে)।
হ্যাঁ, দেনাদার রেখে যাওয়া সম্পত্তি থেকে পাওনাদার তার ঋণ আদায়ের অগ্রাধিকার রাখেন। ওয়ারিশরা মৃতের প্রাপ্ত সম্পদের সমপরিমাণ অংশ পর্যন্ত দায় পরিশোধ করতে বাধ্য।