লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-24
জমি নিয়ে বিরোধ বা জবরদখলের আশঙ্কা দেখা দিলে প্রতিপক্ষকে জমিতে প্রবেশ, গাছপালা কাটা বা নির্মাণ কাজ বন্ধ করার জন্য দেওয়ানি আদালতে <strong>অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) বা স্থিতাবস্থা (Status Quo)</strong> আদেশ প্রার্থনা করা হয়। <strong>দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৩৯ আদেশের ১ ও ২ বিধি (Order 39 Rules 1 & 2 CPC)</strong> অনুযায়ী আদালত এই অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ জারি করেন। সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ দেওয়ানি আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর বিস্তারিত আইনি পরামর্শ পেতে কল করুন <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a> নাম্বারে।
নিষেধাজ্ঞা হলো আদালতের একটি বিশেষ আদেশ যা কোনো পক্ষকে কোনো বেআইনি কাজ করা থেকে বিরত রাখে বা পূর্বের অবস্থা বজায় রাখতে বাধ্য করে। মূল মোকদ্দমা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সম্পত্তির সুরক্ষায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
আদালত ৩টি বিষয় বিশ্লেষণ করে আদেশ দেন: (১) বাদীর স্বত্বের পক্ষে প্রাইমাফেসি কেস, (২) অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা, এবং (৩) উভয় পক্ষের সুবিধার ভারসাম্য।
প্রতিপক্ষ যদি দ্রুত জমিতে পাকা ভবন নির্মাণ শুরু করে, তবে নোটিশ জারি করার আগেই আদালত তাৎক্ষণিক অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা (Ad-interim Injunction) জারি করতে পারেন।
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে ৩৯ আদেশের ২(ক) বিধি অনুযায়ী দোষী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক এবং তার সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দেওয়া যায়।
খতিয়ান, বায়া দলিল, খাজনা রসিদ ও বিরোধের ছবিসহ আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন দাখিল করতে হয়। কোর্ট ফি এবং আইনজীবী ফি সাধারণত ১০,০০০ - ৩০,০০০ টাকার মধ্যে সম্পন্ন হয়।
নিম্ন আদালতে নিষেধাজ্ঞা নামঞ্জুর হলে জেলা জজ আদালতে মিস আপিল (Misc Appeal) বা হাইকোর্টে সিভিল রিভিশন (Civil Revision under Section 115 CPC) দায়ের করা যায়।
জমির তাৎক্ষণিক আইনি সুরক্ষা ও স্টে অর্ডারের জন্য সুপ্রিম কোর্টের দেওয়ানি বিশেষজ্ঞ অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে যোগাযোগ করুন: ০১৭১২৬৫৫৫৪৬।