জমিতে আদালতের স্থগিতাদেশ ও নিষেধাজ্ঞা (Stay Order / Injunction) পাওয়ার নিয়ম ও খরচ ২০২৬
লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-24 · ১২ মিনিট
⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়।
সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।
জমি নিয়ে বিরোধ বা জবরদখলের আশঙ্কা দেখা দিলে প্রতিপক্ষকে জমিতে প্রবেশ, গাছপালা কাটা বা নির্মাণ কাজ বন্ধ করার জন্য দেওয়ানি আদালতে <strong>অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) বা স্থিতাবস্থা (Status Quo)</strong> আদেশ প্রার্থনা করা হয়। <strong>দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৩৯ আদেশের ১ ও ২ বিধি (Order 39 Rules 1 & 2 CPC)</strong> অনুযায়ী আদালত এই অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ জারি করেন। সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ দেওয়ানি আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর বিস্তারিত আইনি পরামর্শ পেতে কল করুন <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a> নাম্বারে।
⚡ আদালতে নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার ৩টি প্রধান আইনি শর্ত
প্রাথমিক সত্যতা (Prima Facie Case): জমিতে বাদীর বৈধ দলিল, খতিয়ান বা স্বত্ব-স্বার্থের প্রাথমিক প্রমাণ থাকতে হবে।
অপূরণীয় ক্ষতি (Irreparable Loss): নিষেধাজ্ঞা না দিলে বাদীর এমন ক্ষতি হবে যা ভবিষ্যতে অর্থ দিয়ে পূরণ করা অসম্ভব।
সুবিধার ভারসাম্য (Balance of Convenience): নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর না করলে বাদীর ক্ষতি প্রতিপক্ষের ক্ষতির তুলনায় অনেক বেশি হবে।
১. জমিতে নিষেধাজ্ঞা (Injunction) ও স্থগিতাদেশের অর্থ কি
নিষেধাজ্ঞা হলো আদালতের একটি বিশেষ আদেশ যা কোনো পক্ষকে কোনো বেআইনি কাজ করা থেকে বিরত রাখে বা পূর্বের অবস্থা বজায় রাখতে বাধ্য করে। মূল মোকদ্দমা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সম্পত্তির সুরক্ষায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
২. দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশ অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞার ৩টি মৌলিক নীতি
আদালত ৩টি বিষয় বিশ্লেষণ করে আদেশ দেন: (১) বাদীর স্বত্বের পক্ষে প্রাইমাফেসি কেস, (২) অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা, এবং (৩) উভয় পক্ষের সুবিধার ভারসাম্য।
প্রতিপক্ষ যদি দ্রুত জমিতে পাকা ভবন নির্মাণ শুরু করে, তবে নোটিশ জারি করার আগেই আদালত তাৎক্ষণিক অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা (Ad-interim Injunction) জারি করতে পারেন।
৪. নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে শাস্তি ও জমি রক্ষা (Order 39 Rule 2A CPC)
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে ৩৯ আদেশের ২(ক) বিধি অনুযায়ী দোষী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক এবং তার সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দেওয়া যায়।
⚖️ আইনি কেস মূল্যায়ন ও চেম্বার অ্যাপয়েন্টমেন্ট
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
৫. আদালতে নিষেধাজ্ঞা আবেদন করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও খরচ
খতিয়ান, বায়া দলিল, খাজনা রসিদ ও বিরোধের ছবিসহ আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন দাখিল করতে হয়। কোর্ট ফি এবং আইনজীবী ফি সাধারণত ১০,০০০ - ৩০,০০০ টাকার মধ্যে সম্পন্ন হয়।
৬. নিষেধাজ্ঞা খারিজ হলে উচ্চ আদালতে আপিল বা রিভিশন করার নিয়ম
নিম্ন আদালতে নিষেধাজ্ঞা নামঞ্জুর হলে জেলা জজ আদালতে মিস আপিল (Misc Appeal) বা হাইকোর্টে সিভিল রিভিশন (Civil Revision under Section 115 CPC) দায়ের করা যায়।
৭. চেম্বার পরামর্শ ও সুপ্রিম কোর্ট দেওয়ানি প্র্যাকটিস
জমির তাৎক্ষণিক আইনি সুরক্ষা ও স্টে অর্ডারের জন্য সুপ্রিম কোর্টের দেওয়ানি বিশেষজ্ঞ অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে যোগাযোগ করুন: ০১৭১২৬৫৫৫৪৬।
দায়বর্জন (Disclaimer): এই আর্টিকেলে পরিবেশিত তথ্যসমূহ কেবল আইনি সচেতনতা ও সাধারণ শিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। এটি কোনো প্রত্যক্ষ আইনি পরামর্শ (Legal Advice) নয় এবং এর মাধ্যমে কোনো আইনজীবী-মক্কেল সম্পর্ক (Attorney-Client Relationship) তৈরি হয় না। আপনার সুনির্দিষ্ট মামলার আইনি প্রতিকারের জন্য সরাসরি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বা জজ কোর্টের তালিকাভুক্ত বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।
আইনি সহায়তা বা জরুরি পরামর্শের প্রয়োজন?
যোগাযোগ করুন এডভোকেট মোঃ শাহ আলম: +880 1712-655546 |
WhatsApp
উত্তরা চেম্বার: বাড়ি ৪৬, রোড ৬/বি, সেক্টর ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
কোর্ট চেম্বার: আইনজীবী সমিতি ভবন, ৪র্থ তলা, ৬/৭ কোর্ট হাউস স্ট্রিট, কোতোয়ালি, ঢাকা-১১০০