স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাক দেওয়ার নিয়ম ২০২৬: তালাক-ই-তৌফিজ, কাবিননামার ১৮ নম্বর কলাম ও দেনমোহর আইন

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-25

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ (MFLO 1961) এবং মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী স্ত্রীও স্বামীকে বৈধভাবে তালাক প্রদান করতে পারেন। বিয়ের সময় কাবিননামার (নিকাহনামা) <strong>১৮ নম্বর কলামে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা অর্পণ করা হলে তাকে “তালাক-ই-তৌফিজ” (Talaq-e-Tawfeez) বলা হয়</strong>। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র ফ্যামিলি আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর এই আর্টিকেলে স্ত্রীর তালাক দেওয়ার ধাপসমূহ ও দেনমোহরের অধিকার বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হলো। চেম্বার কনসাল্টেশন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a>।

মুসলিম আইনে স্বামী স্ত্রীকে তালাকের অধিকার ডেলিগেট বা অর্পণ করতে পারেন। নিকাহনামার ১৮ নম্বর কলামে যদি "হ্যাঁ" বা শর্তযুক্ত ক্ষমতা লেখা থাকে, তবে স্ত্রী স্বাধীনভাবে তালাক কার্যকর করতে পারেন।

যদি ১৮ নম্বর কলামে ক্ষমতা না থাকে, তবে ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের (Dissolution of Muslim Marriages Act 1939) আওতায় স্ত্রীর পারিবারিক আদালতে মামলা করে বিচারকের মাধ্যমে বিয়ে বিচ্ছেদ করার অধিকার রয়েছে।

আমাদের সমাজে প্রচলিত একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে স্ত্রী তালাক দিলে দেনমোহর পাওয়া যায় না। এটি সম্পূর্ণ ভুল। তালাক যে পক্ষই প্রদান করুক না কেন, স্বামী স্ত্রীর ধার্যকৃত দেনমোহর ও ইদ্দতকালীন ৩ মাসের ভরণপোষণ পরিশোধ করতে আইনত বাধ্য।

রেজিস্টার্ড কাজীর মাধ্যমে স্বামীর স্থায়ী ঠিকানায় এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার সিটি কর্পোরেশন বা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবর রেজিস্ট্রি ডাকযোগে লিখিত নোটিশ প্রেরণ করতে হবে।

পারিবারিক তালাক ও দেনমোহর আদায়ের মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ও জজ কোর্টের অভিজ্ঞ ফ্যামিলি আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সরাসরি চেম্বার পরামর্শ নিন। ফোন: ০১৭১২৬৫৫৫৪৬।