লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-09-02
<p>স্বামী জানান না দিয়ে বা অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন? এটি বাংলাদেশের আইনে গুরুতর অপরাধ। প্রথম স্ত্রী হিসেবে আপনার আইনি অধিকার আছে — জানুন কীভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন এবং ন্যায়বিচার পাবেন। পরামর্শের জন্য: <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold">অ্যাডভোকেট মোঃ শাহ আলম</a> — <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold">📞 01712655546</a></p>
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ (Muslim Family Laws Ordinance 1961) অনুযায়ী বাংলাদেশে মুসলিম পুরুষ একাধিক বিয়ে করতে পারেন, তবে নির্দিষ্ট শর্তে।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে আইনত বৈধ — কিন্তু অপরাধমূলক। অর্থাৎ দ্বিতীয় বিয়েটি বাতিল নয়, তবে আইন লঙ্ঘনের জন্য শাস্তি হবে।
অনেকের মনে প্রশ্ন — অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে কি আদৌ বৈধ? উত্তর একটু জটিল।
| বিষয় | উত্তর |
|---|---|
| দ্বিতীয় বিয়ে কি বাতিল হবে? | না — বিয়ে বৈধ থাকবে |
| কি শাস্তি হবে? | ১ বছর কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা বা উভয় |
| কে মামলা করতে পারবেন? | প্রথম স্ত্রী |
| প্রথম স্ত্রী কি ডিভোর্স নিতে পারবেন? | হ্যাঁ — এটিকে কারণ হিসেবে দেখিয়ে |
দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রী বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনি অধিকার রাখেন।
MFLO 1961-এর ধারা ৬ অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ের জন্য ফৌজদারি মামলা করতে পারবেন।
কাবিননামায় উল্লিখিত সম্পূর্ণ দেনমোহর একসাথে পরিশোধের দাবি করতে পারবেন।
স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করলেও প্রথম স্ত্রীর ভরণপোষণের দায় স্বামীর উপর থাকে।
দ্বিতীয় বিয়েকে কারণ হিসেবে দেখিয়ে পারিবারিক আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করতে পারবেন।
দ্বিতীয় বিয়ের ঘটনায় প্রথম স্ত্রী একাধিক পদক্ষেপ নিতে পারেন।
কোন পদক্ষেপ আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত তা আইনজীবীর কাছে জানুন।
ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে MFLO ৬ ধারায় মামলা দায়ের করুন।
দেনমোহর, ভরণপোষণ ও ডিভোর্সের জন্য পারিবারিক আদালতে মামলা।
কাবিননামার ১৮ নং কলামে তালাক ক্ষমতা থাকলে সরাসরি তালাক দিতে পারবেন।
স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের ঘটনায় দিশেহারা হবেন না। অ্যাডভোকেট মোঃ শাহ আলম আপনার আইনি অধিকার রক্ষায় সহায়তা করবেন।