লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-26
পূর্ববর্তী বিবাহ আইনত বলবৎ থাকা অবস্থায় এবং পূর্বের স্বামী বা স্ত্রীকে কোনো প্রকার বৈধ ডিভোর্স প্রদান না করে অন্য কারো সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়াকে আইনের ভাষায় <strong>দ্বি-বিবাহ বা ব্যাভিচারমূলক বিয়ে (Bigamy)</strong> বলা হয়। <strong>পেনাল কোড ১৮৬০ (Penal Code)-এর ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী এই অপরাধে দোষী ব্যক্তির সর্বোচ্চ ৭ (সাত) বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে</strong>। এছাড়াও প্রথম স্ত্রী চাইলে একইসাথে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১-এর ৬ ধারা এবং দেনমোহর আদায়ের মামলা করতে পারেন। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র ক্রিমিনাল আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর বিস্তারিত নির্দেশিকা নিচে দেওয়া হলো। চেম্বার হটলাইন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a>।
স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় বৈধ বিবাহ বিচ্ছেদ ছাড়া পুনরায় বিবাহ করলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ।
উভয় বিয়ের কাবিননামা বা সাক্ষীদের এফিডেভিট সংযুক্ত করে সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সিআর মামলা দায়ের করতে হয়।
দ্বিতীয় স্ত্রী যদি বিয়ের পূর্বে প্রতারিত হন, তবে তিনি ৪৯৫ ধারা এবং নারী নির্যাতন আইনে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন।
আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ সাপেক্ষে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে কারাগারে প্রেরণ করেন।
পারিবারিক ও ফৌজদারি আইনি লড়াইয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে যোগাযোগ করুন: ০১৭১২৬৫৫৫৪কে।