থানায় জিডি ও এফআইআর করার নিয়ম ও পুলিশি অধিকার

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-28

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

কোনো বয়ান হারানো, হুমকি প্রাপ্ত হওয়া বা অপরাধের শিকার হলে থানায় জিডি (General Diary) অথবা এজাহার/এফআইআর (FIR) দায়ের করা জরুরি প্রথম আইনি পদক্ষেপ। এছাড়া পুলিশি গ্রেপ্তার বা রিমান্ডের সময় নাগরিকের কী কী সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো। জরুরী আইনজীবীর সহায়তায় কল দিন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">01712655546</a>।

জিডি করার জন্য সাদা কাগজে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (OC) বরাবর আবেদন লিখতে হয়। এতে ঘটনা, সময়, স্থান ও বিবরণ স্পষ্ট থাকতে হবে। অনলাইনে ই-জিডি অ্যাপস বা পোর্টালেও এখন ঘরে বসে জিডি করা সম্ভব। জিডি করতে কোনো সরকারি ফি লাগে না।

মারামারি, চুরি, চাদাবাজি বা নারী নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধে থানায় গিয়ে এজাহার দিতে হয়। পুলিশ অফিসার ধারা অনুযায়ী তা রেজিস্ট্রি খাতায় মামলা (Case) হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করেন। পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকার করলে সরাসরি মেটোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সিআর (CR) মামলা করা যায়।

সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ ও ৫৪ ধারা আইন অনুযায়ী পুলিশ কাউকেই অহেতুক নির্যাতন করতে পারবে না। গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে নিকটস্থ আদালতে সোপর্দ করতে হবে এবং আসামির পছন্দমতো আইনজীবীর সাথে পরামর্শের সুযোগ দিতে হবে।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ঐতিহাসিক নির্দেশনানুযায়ী (BLAST vs Bangladesh), আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার আগে ও পরে ডাক্তারের মাধ্যমে শারীরিক পরীক্ষা করতে হবে এবং কাচের ঘরে আইনজীবীর উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

📞 পুলিশি মামলা ও জামিন সহায়তার জন্য

মিথ্যা এফআইআর, পুলিশি রিমান্ড বাতিল বা অবিলম্বে কোর্টে জামিন আবেদনের জন্য সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম স্যারের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন:

📱 কল করুন: 01712655546 📍 চেম্বার অ্যাপয়েন্টমেন্ট