লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-22
আপনার কোম্পানির নাম, ব্র্যান্ড লোগো বা প্রোডাক্টের মোড়কের নকশা যদি সরকারিভাবে রেজিস্ট্রি করা না থাকে, তবে বাজারে সফল হওয়ার পর অন্য কেউ হুবহু একই নাম বা লোগো কপি করে আপনার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি করতে পারে। বাংলাদেশে <strong>ট্রেডমার্ক আইন, ২০০৯ (Trade Marks Act, 2009)</strong> অনুযায়ী লোগো বা ব্র্যান্ড নেম রেজিস্ট্রি করলে আপনি একক আইনগত মালিকানা (® Symbol) লাভ করবেন এবং নকলকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবেন। ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশনের সম্পূর্ণ আইনি নির্দেশিকা নিচে তুলে ধরা হলো। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
ট্রেডমার্ক হলো একটি অনন্য প্রতীক, শব্দ, লোগো, স্লোগান বা নকশা, যা আপনার তৈরি পণ্য বা সেবাকে অন্য প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের পণ্য থেকে পৃথক হিসেবে চিহ্নিত করে।
রেজিস্ট্রি করার পর আপনি আপনার ব্র্যান্ডের পাশে **® (Registered)** চিহ্ন ব্যবহার করতে পারবেন। রেজিস্ট্রি না থাকলে কেবল **™ (Unregistered Trademark)** চিহ্ন ব্যবহার করা যায়, যার আইনি সুরক্ষা দুর্বল।
বাংলাদেশে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে DPDT (Department of Patents, Designs and Trademarks) ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন পরিচালনা করে।
পণ্য ও সেবাকে আন্তর্জাতিক NICE Classification অনুযায়ী ১ থেকে ৪৫টি শ্রেণিতে (Class) ভাগ করা হয়েছে (যেমন: পোশাকের জন্য Class 25, আইটি সেবার জন্য Class 42, খাবারের জন্য Class 29/30)।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।