লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-10-19 · 11 min read
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, মেডিকেল কিংবা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার পর অনেকের জীবনেই হঠাৎ আঁধার নেমে আসে—যখন যাচাইকরণের সময় দেখা যায় এসএসসি বা এইচএসসি সার্টিফিকেটে নামের বানান বা জন্মতারিখে অমিল রয়েছে। মূল সনদ বোর্ড থেকে সংশোধন হয়ে আসতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে, কিন্তু ভর্তির সময়সীমা থাকে মাত্র কয়েক দিন। এমতাবস্থায় আইনগতভাবে ছাত্রত্ব রক্ষা করার একমাত্র উপায় হলো ম্যাজিস্ট্রেসি কোর্ট থেকে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে 'আইনি অঙ্গীকারনামা হলফনামা' (Undertaking Affidavit) দাখিল করা।
| বিষয় / শর্ত | সরকারি নিয়ম, ফি ও আইন (২০২৬) |
|---|---|
| প্রযোজ্য আইন ও আদালত | বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ (CrPC) ও সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ |
| আগাম ও নিয়মিত জামিন | হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮ CrPC) ও ম্যাজিস্ট্রেট/দায়রা আদালতে নিয়মিত জামিন |
| সরকারি পোর্টাল ও যাচাই | supremecourt.gov.bd, judiciary.gov.bd, pcc.police.gov.bd ও land.gov.bd |
| জরুরি আইনি পরামর্শ চেম্বার | অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট) — ০১৭১২-৬৫৫৫৪৬ |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, মেডিকেল কিংবা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার পর অনেকের জীবনেই হঠাৎ আঁধার নেমে আসে—যখন যাচাইকরণের সময় দেখা যায় এসএসসি বা এইচএসসি সার্টিফিকেটে নামের বানান বা জন্মতারিখে অমিল রয়েছে। মূল সনদ বোর্ড থেকে সংশোধন হয়ে আসতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে, কিন্তু ভর্তির সময়সীমা থাকে মাত্র কয়েক দিন। এমতাবস্থায় আইনগতভাবে ছাত্রত্ব রক্ষা করার একমাত্র উপায় হলো ম্যাজিস্ট্রেসি কোর্ট থেকে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে 'আইনি অঙ্গীকারনামা হলফনামা' (Undertaking Affidavit) দাখিল করা।
বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিচার বিভাগের সুনির্দিষ্ট বিধিমালার আলোকে যেকোনো সনদের ভুল বা তথ্যের অসঙ্গতি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হলফনামার মাধ্যমে আইনগতভাবে নিষ্পত্তিযোগ্য।
প্রশাসনিক যেকোনো কাজে বা শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী নোটারি পাবলিকের চেয়ে ১ম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (First Class Judicial Magistrate) কর্তৃক সম্পাদিত এফিডেভিটের আইনি গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতীত। ৩০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে প্রার্থীর উপস্থিতিতে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের সিল ও স্বাক্ষরে এটি সম্পন্ন হয়।
ভর্তির সময় সার্টিফিকেটে ভুল ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক ১ম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে ৩০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে একটি 'কোর্ট অঙ্গীকারনামা এফিডেভিট' দাখিল করতে হয়—যেখানে শিক্ষার্থী ঘোষণা করেন যে তিনি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বোর্ড থেকে মূল সনদ সংশোধন করিয়ে জমা দেবেন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয় সাময়িক ভর্তি নিশ্চিত করে।
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
আবেদনের জন্য মূল সনদ, ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ, পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এবং পাসপোর্ট (যদি থাকে) প্রয়োজন হয়। স্ট্যাম্প ডিউটি ৩০০ টাকা এবং সরকারি বোর্ড ফি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের গেজেট অনুযায়ী প্রযোজ্য হয়।
অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর। সনদপত্র সংশোধন, হলফনামা সম্পাদন, নোটারি এবং শিক্ষা বিষয়ক যেকোনো আইনি সহায়তায় আমাদের উত্তরা বা ঢাকা কোর্ট চেম্বারে সরাসরি সাক্ষাত করতে পারেন।
আমাদের উত্তরা চেম্বারে (হাউস ৪৬, রোড ৬/বি, সেক্টর ১২) প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭:০০টা থেকে রাত ১০:০০টা এবং ঢাকা কোর্ট চেম্বারে সকাল ১০:০০টা থেকে বিকাল ৪:০০টার মধ্যে সরাসরি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে দেখা করতে পারেন।
আমাদের চেম্বার থেকে সাধারণত ১ কার্যদিবসের মধ্যেই ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এফিডেভিটের যাবতীয় ড্রাফটিং ও কোর্ট সিল-স্বাক্ষর সম্পন্ন করিয়ে দেওয়া হয়।