ওয়ারিশান সনদ ও ওয়ারিশনামা সংগ্রহের ১০+ আইনি নিয়ম – ভূয়া ওয়ারিশ বাদ দেওয়া ও সম্পত্তি বন্টন

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-10

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন, ব্যাংক একাউন্ট স্থানান্তর বা নামজারির জন্য ওয়ারিশান সনদ (Succession Certificate / Heirs Certificate) প্রথম আবশ্যক নথি। ১০+ আইনি নিয়মাবলী এবং ভুয়া ওয়ারিশ বাদ দেওয়ার উপায় আর্টিকেলে জানুন। পরামর্শে <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর সাথে থাকুন।

ওয়ারিশান সনদ (Succession Certificate / Heirs Certificate) কি এবং কেন এটি লাগে

মৃত ব্যক্তির আইনি উত্তরাধিকারীগণের তালিকা সম্বলিত সরকারি সনদ হলো ওয়ারিশান সনদ।

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা সিটি কর্পোরেশন কাউন্সিলর অফিস থেকে সনদ সংগ্রহের নিয়ম

মৃত ব্যক্তির স্থায়ী ঠিকানার ইউপি চেয়ারম্যান বা সিটি কর্পোরেশন ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস থেকে এটি প্রস্তুত করা হয়।

১০+ জরুরি শর্তাবলী – সঠিক ওয়ারিশদের তালিকা ও জাতীয় পরিচয়পত্র জমা

  1. মৃত ব্যক্তির মূল মৃত্যু সনদ (Death Certificate)।
  2. সকল জীবিত ওয়ারিশদের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্ম সনদ।
  3. ওয়ারিশদের পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
  4. স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কর্তৃক অনলাইন আবেদন ভেরিফিকেশন।
  5. পরিবারের কোনো ওয়ারিশ মৃত হলে তার মৃত্যু সনদ।
  6. পুত্র, কন্যা, স্ত্রী, মা বা বাবার সঠিক হিসাব প্রদর্শন।
  7. কাউন্সিলর অফিসের ফি জমা রশিদ।
  8. অনলাইন কিউআর কোড যুক্ত ডিজিটাল ডিজিটাল সনদ ডাউনলোড।
  9. প্রয়োজনে প্রতিবেশীর থেকে ওয়ারিশ সত্যতা নিশ্চিতকরণ।
  10. ভুয়া ওয়ারিশ অন্তর্ভুক্ত না করার লিখিত ডিক্লারেশন।

ভুয়া ওয়ারিশ যোগ করা বা প্রকৃত ওয়ারিশ গোপন (Concealment) করার গুরুতর অপরাধ

কাউকে ওয়ারিশ থেকে বাদ দিলে বা ভুয়া ওয়ারিশ দেখালে জালিয়াতির ফৌজদারি অপরাধে কারাদণ্ড হবে।

জালিয়াতি করে ওয়ারিশান সনদ বানালে চেয়ারম্যান কর্তৃক বাতিল ও ফৌজদারি মামলা

চেয়ারম্যান অফিসে দরখাস্ত দিয়ে ভুয়া ওয়ারিশ সনদ সাথে সাথে বাতিল করিয়ে নেওয়া সম্ভব।

ব্যাংক একাউন্টের টাকা, সঞ্চয়পত্র বা শেয়ার উত্তোলনের জন্য জেলা জজ আদালতের সাকসেশন সার্টিফিকেট

ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্রের টাকা তুলতে জেলা জজ আদালত থেকে সাকসেশন অ্যাক্ট ১৯২৫ অনুযায়ী সাকসেশন সার্টিফিকেট নিতে হয়।

ওয়ারিশান সনদের ওপর ভিত্তি করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ওয়ারিশি সনদ বন্টননামা দলিল

ওয়ারিশান সনদ অনুযায়ী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আইনসঙ্গত আপস বাটোয়ারা নামা দলিল সম্পাদিত হয়।

প্রবাসী ওয়ারিশদের ক্ষেত্রে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বা দূতাবাসের সত্যায়ন নিয়ম

বিদেশে অবস্থানরত ওয়ারিশরা বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সত্যায়িত করে দেশে পাঠাতে পারেন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

প্রশ্ন: ব্যাংক সাকসেশন সার্টিফিকেট পেতে কত দিন লাগে?

উত্তর: জেলা জজ আদালতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি জারি সাপেক্ষে ২ থেকে ৪ মাসের মধ্যে আদেশ পাওয়া যায়।

সাকসেশন মামলা ও ওয়ারিশি সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় আইনি সহায়তা

সাকসেশন সার্টিফিকেট ও সম্পত্তি আইনি সহায়তায় আমাদের আইনজীবী টিমের সাহায্য নিন। যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।