ওয়ারিশান সনদ জালিয়াতি করে জমি বিক্রি করলে আইনি প্রতিকার ও বাতিল মোকদ্দমা ২০২৬: ফৌজদারি ও দেওয়ানি ব্যবস্থা

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-26

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করার জন্য একশ্রেণির অসৎ ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস থেকে বোন বা সৎ ভাইদের নাম বাদ দিয়ে ভুয়া <strong>ওয়ারিশান সনদ (Succession Certificate / Warishan Sanad)</strong> তৈরি করে। এরপর ওই সনদের ভিত্তিতে নামজারি করিয়ে সম্পূর্ণ জমি তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করে ফেলে। এটি একইসাথে <strong>পেনাল কোড ৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ধারায় মারাত্মক জালিয়াতি এবং দেওয়ানি আদালতে দলিল বাতিলযোগ্য অপরাধ</strong>। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর এই কমপ্লিট গাইডে জালিয়াতি প্রতিহত করার সকল উপায় আলোচনা করা হলো। চেম্বার কল: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a>।

সাধারণত মেয়েদের নাম বা মৃত সন্তানের এতিম নাতি-নাতনিদের নাম গোপন রেখে একক ওয়ারিশ হিসেবে ভুয়া প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়।

সঠিক পারিবারিক তালিকা ও এনআইডিসহ চেয়ারম্যান/কাউন্সিলরের কাছে আবেদন করলে তদন্ত শেষে পূর্বের ভুয়া সনদটি বাতিল করে নতুন সনদ ইস্যু করা হয়।

পেনাল কোডের ৪২০, ৪৬৫, ৪৬৭ ও ৪৬৮ ধারায় জালিয়াতির মামলা দায়ের করলে দোষীদের বিরুদ্ধে সরাসরি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।

বিক্রিত দলিলের যতটুকু অংশ বাদীর প্রাপ্য ছিল, ততটুকু অংশ অবৈধ ঘোষণার জন্য দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়ের করতে হয়।

ওয়ারিশ জালিয়াতি মামলায় অভিজ্ঞ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর আইনি পরামর্শ নিন: ০১৭১২৬৫৫৫৪৬।