ফৌজদারি, পারিবারিক, জামিন ও জমি সংক্রান্ত মামলার অভিজ্ঞ আইনজীবী। চেম্বার: উত্তরা, ঢাকা।
আমি এডভোকেট মোঃ শাহ আলম — একজন আইনজীবী যিনি শুধু আদালতে লড়েন না, মানুষের পাশে দাঁড়ান। ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমি বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্ট থেকে শুরু করে জজ কোর্ট পর্যন্ত হাজারো মানুষের আইনি লড়াইয়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী হয়েছি।
আমি বিশ্বাস করি — আইনি সহায়তা কেবল বিত্তশালীদের জন্য নয়; প্রতিটি সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই প্রতিটি মামলায় আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।
ফৌজদারি অপরাধ, পারিবারিক বিরোধ, জমিজমা সংক্রান্ত জটিলতা কিংবা করপোরেট আইন — যে কোনো বিষয়ে আপনাকে আইনি প্রক্রিয়াটি সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দিয়ে সঠিক সমাধান দিতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
"আইন পেশায় আসার পেছনে আমার মূল প্রেরণা ছিল — সাধারণ মানুষকে তাদের অজ্ঞতার কারণে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে দেখা। আমার লক্ষ্য সবসময় তাদের পাশে দাঁড়িয়ে আইনি অধিকার নিশ্চিত করা।" — এডভোকেট মোঃ শাহ আলম
বাংলাদেশে জামিন পেতে হলে উপযুক্ত আদালতে জামিনের আবেদন করতে হয় — অভিযোগের ধরনভেদে সেটি হতে পারে দায়রা আদালত, মহানগর দায়রা আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ। একজন অভিজ্ঞ জামিন আইনজীবী আপনার পক্ষে আবেদন প্রস্তুত করবেন, শক্তিশালী যুক্তি উপস্থাপন করবেন এবং আদালতে আপনার হয়ে লড়বেন। অ-জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে হাইকোর্টে যাওয়া প্রয়োজন হতে পারে। জরুরি জামিনের ব্যাপারে এখনই এডভোকেট শাহ আলমের সাথে যোগাযোগ করুন।
মুসলিম পরিবারে স্বামী মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ অনুযায়ী তালাকনামা প্রেরণ করতে পারেন, যা ইউনিয়ন পরিষদ/সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এবং স্ত্রীর কাছে পাঠাতে হয়। স্ত্রী খুলওয়ার মাধ্যমে (সম্মতিক্রমে) অথবা নিষ্ঠুরতা বা পরিত্যাগের ভিত্তিতে পারিবারিক আদালতে ডিভোর্সের আবেদন করতে পারেন। হিন্দু ও খ্রিষ্টান ধর্মের ক্ষেত্রে আলাদা আইন প্রযোজ্য। উত্তরায় আমাদের চেম্বারে এসে পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সহজ মামলা ৬ থেকে ১৮ মাসে নিষ্পত্তি হতে পারে। দায়রা আদালতের মামলা সাক্ষী ও জটিলতার উপর নির্ভর করে ২ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত লাগতে পারে। হাইকোর্টে গেলে আরো বেশি সময় লাগতে পারে। তবে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ, শক্তিশালী প্রমাণ এবং একজন দক্ষ আইনজীবী প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করেন।
বাংলাদেশে জমির বিরোধ দেওয়ানি আদালতে স্বত্ব মামলা, বিভাজন মামলা বা ঘোষণামূলক মামলার মাধ্যমে সমাধান করা হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে থাকে দলিল, নামজারি রেকর্ড, আরএস/বিএস খতিয়ান এবং দখলের প্রমাণ। উত্তরায় আমাদের অভিজ্ঞ জমি বিরোধ আইনজীবী আপনার কাগজপত্র যাচাই করে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেবেন।
বাংলাদেশে একজন কোম্পানি ও করপোরেট আইনজীবী কোম্পানি আইন ১৯৯৪ অনুযায়ী ব্যবসা নিবন্ধন, অংশীদারিত্ব চুক্তি তৈরি, শেয়ারহোল্ডার বিরোধ নিষ্পত্তি, কর্পোরেট সম্মতি এবং বাণিজ্যিক চুক্তি পর্যালোচনায় সহায়তা করেন। এডভোকেট শাহ আলম ঢাকার ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষায় পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
বাংলাদেশে আইনজীবীর ফি মামলার ধরন ও আদালতের স্তর অনুযায়ী ভিন্ন হয়। সাধারণ পরামর্শ ফি ৫০০ থেকে ২,০০০ টাকার মধ্যে হয়। জটিল মামলায় হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে বেশি হতে পারে। এডভোকেট শাহ আলম WhatsApp, ফোন বা সরাসরি চেম্বারে পরামর্শ দেন এবং ফি কাঠামো আগেই স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়। bKash-এ পেমেন্ট গ্রহণযোগ্য: ০১৭১২-৬৫৫৫৪৬।
আপনি বা আপনার পরিবারের কেউ গ্রেফতার হলে সঙ্গে সঙ্গে একজন ফৌজদারি আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করুন। বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, গ্রেফতার হওয়া প্রতিটি ব্যক্তির অধিকার আছে গ্রেফতারের কারণ জানার এবং নিজের পছন্দের আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করার। আইনি পরামর্শ ছাড়া কোনো কাগজে স্বাক্ষর করবেন না। জরুরি জামিন ও আইনি সহায়তার জন্য এখনই WhatsApp-এ এডভোকেট শাহ আলমের সাথে যোগাযোগ করুন।
বাংলাদেশে সাইবার অপরাধ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের আওতায় পরিচালিত হয়। থানায় জিডি করা বা সরাসরি সাইবার ক্রাইম ইউনিটে অভিযোগ দায়ের করা যায়। এ মামলাগুলো সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচার হয়। অভিযোগের মধ্যে থাকতে পারে হ্যাকিং, সামাজিক মাধ্যমে মানহানি, আর্থিক জালিয়াতি এবং পরিচয় চুরি। এডভোকেট শাহ আলম ঢাকার আদালতে সাইবার নিরাপত্তা মামলায় পক্ষে ও বিপক্ষে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন।