বাংলাদেশে আদালতের আদেশ চ্যালেঞ্জ: রিভিশন, রিভিউ ও আপিল

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-04-12 · ৮ মিনিট পড়ুন

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

বিরূপ আদালতের আদেশ পাওয়া মানেই আইনি পথ শেষ নয়। বাংলাদেশ আইনে আদেশ চ্যালেঞ্জের তিনটি পথ রয়েছে — রিভিশন, রিভিউ ও আপিল — প্রতিটির নিজস্ব মানদণ্ড, সময়সীমা ও আদালত আছে। সঠিক সময়ে সঠিক পদ্ধতি বেছে নেওয়া আইনি অধিকার সুরক্ষায় অপরিহার্য। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।

📋 সূচিপত্র
  1. আদালতের আদেশ চ্যালেঞ্জের তিনটি পথ
  2. বাংলাদেশে আপিল কী?
  3. রিভিশন পিটিশন কী?
  4. রিভিউ পিটিশন কী?
  5. আপিল বনাম রিভিশন বনাম রিভিউ তুলনা
  6. দাখিলের সময়সীমা
  7. হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে দাখিল

আদালতের আদেশ চ্যালেঞ্জের তিনটি পথ

বাংলাদেশে তিনটি প্রধান পদ্ধতিতে আদালতের আদেশ চ্যালেঞ্জ করা যায়:

  • আপিল: উচ্চতর আদালত মামলাটি মেরিটে পুনরায় পরীক্ষা করে — তথ্য ও আইন উভয়ই।
  • রিভিশন: উচ্চতর আদালত শুধু নিম্ন আদালতের এখতিয়ার ও সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ হয়েছে কিনা তা দেখে — তথ্য পুনর্মূল্যায়ন নয়।
  • রিভিউ: যে আদালত আদেশ দিয়েছে সেই আদালতকেই নির্দিষ্ট ভিত্তিতে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ।

সঠিক পথ নির্ভর করে আদেশের ধরন, যে আদালত দিয়েছে এবং চ্যালেঞ্জের ভিত্তির উপর। হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের কার্যক্রমে ঢাকার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী অপরিহার্য।

রিভিশন পিটিশন কী?

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫ বা ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৯-এর অধীনে রিভিশন পিটিশনে হাইকোর্ট পরীক্ষা করে:

  • অধস্তন আদালত এখতিয়ার বহির্ভূত কাজ করেছে কিনা।
  • ব্যায়ের এখতিয়ার প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছে কিনা।
  • এখতিয়ার প্রয়োগে বস্তুগত অনিয়ম বা বেআইনি কাজ হয়েছে কিনা।

গুরুত্বপূর্ণ: রিভিশন দ্বিতীয় আপিল নয়। শুধু তথ্যের সিদ্ধান্ত নিয়ে মতবিরোধ থাকলে রিভিশন করা যায় না।

⚖️ আইনি কেস মূল্যায়ন ও চেম্বার অ্যাপয়েন্টমেন্ট

আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।

জরুরি হোয়াটসঅ্যাপ সরাসরি কল: ০১৭১২-৬৫৫৫৪৬

দাখিলের সময়সীমা

তামাদি আইন ১৯০৮-এর সময়সীমা কঠোর — সময়সীমা মিস হলে সাধারণত অধিকার শেষ হয়:

  • জেলা আদালতে দেওয়ানি আপিল: ডিক্রির ৩০ দিনের মধ্যে।
  • হাইকোর্টে দেওয়ানি আপিল: ৯০ দিন।
  • ফৌজদারি আপিল: দণ্ড বা সাজার ৬০ দিনের মধ্যে।
  • রিভিশন (দেওয়ানি): আদেশের ৯০ দিনের মধ্যে।
  • রিভিউ: ডিক্রি/আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে।

বিলম্ব হলে পর্যাপ্ত কারণ দেখাতে হয় — আদালত কঠোর। বিরূপ আদেশ পাওয়ার পরপরই পদক্ষেপ নিন।

উত্তরায় অ্যাডভোকেট শাহ আলমের সাথে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করুন — বিলম্ব আইনি অধিকার নষ্ট করে।

⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

একই আদেশে রিভিউ ও রিভিশন দুটোই করা যাবে?

সাধারণত না। উপযুক্ত পদ্ধতিটি বেছে নিন। রিভিউ ও রিভিশন একত্রে করা জটিলতা বাড়াতে পারে। আইনজীবীর সহায়তায় ভুলের ধরন অনুযায়ী সঠিক পদ্ধতি বেছে নিন।

রিট পিটিশন ও রিভিশনের পার্থক্য কী?

রিট পিটিশন সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে হাইকোর্টে — কার্যক্রম বা আইনের সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ বা মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে। রিভিশন অধস্তন আদালতের এখতিয়ার ও পদ্ধতিগত ত্রুটির বিরুদ্ধে।

রিভিশন দায়েরের সময় নিম্ন আদালতের আদেশ স্থগিত করা যাবে?

হ্যাঁ। রিভিশন বা আপিল দায়েরের সাথে একই সাথে নিম্ন আদালতের আদেশ স্থগিতের আবেদন করা যায়। রিভিশন বা আপিল শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আদালত প্রায়ই শর্তসাপেক্ষে স্থগিতাদেশ দেয়।

দায়বর্জন (Disclaimer): এই আর্টিকেলে পরিবেশিত তথ্যসমূহ কেবল আইনি সচেতনতা ও সাধারণ শিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। এটি কোনো প্রত্যক্ষ আইনি পরামর্শ (Legal Advice) নয় এবং এর মাধ্যমে কোনো আইনজীবী-মক্কেল সম্পর্ক (Attorney-Client Relationship) তৈরি হয় না। আপনার সুনির্দিষ্ট মামলার আইনি প্রতিকারের জন্য সরাসরি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বা জজ কোর্টের তালিকাভুক্ত বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।
আইনি সহায়তা বা জরুরি পরামর্শের প্রয়োজন?
যোগাযোগ করুন এডভোকেট মোঃ শাহ আলম: +880 1712-655546  |  WhatsApp
উত্তরা চেম্বার: বাড়ি ৪৬, রোড ৬/বি, সেক্টর ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
কোর্ট চেম্বার: আইনজীবী সমিতি ভবন, ৪র্থ তলা, ৬/৭ কোর্ট হাউস স্ট্রিট, কোতোয়ালি, ঢাকা-১১০০