লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-04-01 · ৮ মিনিট পড়ুন
ফেসবুকে মিথ্যা পোস্ট, সম্পাদিত ছবি বা বিদ্বেষমূলক কন্টেন্ট সুনাম নষ্ট করে, ক্যারিয়ার ধ্বংস করে এবং মানসিক ক্ষতি করে। বাংলাদেশ আইনে কার্যকর প্রতিকার রয়েছে — ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ফৌজদারি মামলা, দেওয়ানি ক্ষতিপূরণ দাবি এবং ফেসবুককে কন্টেন্ট সরাতে বাধ্য করার আদালতের আদেশ। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
মানহানি হল মিথ্যা বক্তব্য প্রকাশ যা অন্যের সুনাম ক্ষুণ্ণ করে। ফেসবুক বা অন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এটি হলে অনলাইন মানহানি — ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ ও দণ্ডবিধি ১৮৬০ উভয়ই প্রযোজ্য।
বাংলাদেশে অনলাইন মানহানির উদাহরণ:
মতামত, ব্যঙ্গ ও সত্য তথ্য সাধারণত মানহানি নয়। আপনার পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে উত্তরা বা ঢাকার সাইবার আইনজীবীর সাথে কথা বলুন।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ধারা ২৯ অনলাইন মানহানিকে সুনির্দিষ্টভাবে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। শাস্তি:
পুনরাবৃত্তি অপরাধে শাস্তি দ্বিগুণ। DSA মামলা ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচার হয় — বিচার চলাকালীন অন্তর্বর্তী আদেশে কন্টেন্ট সরানোর নির্দেশও দেওয়া যায়।
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
বাংলাদেশে মানহানির ভুক্তভোগী দুটি পথে একসাথে এগোতে পারেন:
অধিকাংশ ভুক্তভোগী প্রথমে দ্রুত কন্টেন্ট সরানোর জন্য ফৌজদারি এবং পরে দেওয়ানি ক্ষতিপূরণের মামলা করেন। অভিজ্ঞ ঢাকার আইনজীবী দুটি ট্র্যাক একসাথে পরিচালনা করতে পারবেন।
মানহানির মামলা দায়েরের আগে সংগ্রহ করুন:
ফেসবুকে ভুয়া অ্যাকাউন্টে আড়াল হওয়া আক্রমণকারীর পরিচয় প্রকাশে আদালতের আদেশে ফেসবুককে অ্যাকাউন্ট ডেটা দিতে বাধ্য করা যায়। অ্যাডভোকেট শাহ আলমের সাথে যোগাযোগ করুন।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।
হ্যাঁ। সাইবার ট্রাইব্যুনাল ফেসবুককে ভুয়া অ্যাকাউন্টের নিবন্ধন তথ্য, IP ঠিকানা ও ডিভাইস তথ্য দিতে আদেশ দিতে পারে।
সম্ভবত হ্যাঁ। জেনেশুনে মানহানিমূলক কন্টেন্ট শেয়ার করলে শেয়ারকারী DSA-তে ফৌজদারি এবং দেওয়ানিভাবেও দায়ী হতে পারেন।
হ্যাঁ। দেওয়ানি মানহানি মামলায় ব্যবসায়িক রাজস্ব হ্রাস, চুক্তি বাতিল, মানসিক ক্ষতি ও সুনামের ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করা যায়।