বাংলাদেশ আইনে হ্যাকিং ও অননুমোদিত কম্পিউটার প্রবেশ

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-04-09

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

হ্যাকিং — অনুমতি ছাড়া কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা ডিজিটাল অ্যাকাউন্টে প্রবেশ — বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এ গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। এই গাইডে আইনের আওতা, দণ্ড, হ্যাকিং ঘটনা রিপোর্টের পদ্ধতি ও ভুক্তভোগীর বিকল্পগুলো বর্ণিত হয়েছে।

বাংলাদেশ আইনে হ্যাকিং কী?

হ্যাকিং হল অনুমতি ছাড়া বা বৈধ অনুমতি অতিক্রম করে কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা ডিজিটাল অ্যাকাউন্টে প্রবেশ। বাংলাদেশ আইনে এটি অন্তর্ভুক্ত:

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮, ধারা ১৯ (অননুমোদিত প্রবেশ): সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা।
  • DSA ধারা ১৭ (গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে আক্রমণ): বিদ্যুৎ গ্রিড, আর্থিক ব্যবস্থা, সরকারি নেটওয়ার্ক হ্যাকিং — সর্বোচ্চ ১৪ বছর।
  • ICT আইন ২০০৬, ধারা ৫৪: হ্যাকিং বিধান (পুরানো মামলায় প্রযোজ্য)।

আপনার অ্যাকাউন্ট, ওয়েবসাইট বা ব্যবসায়িক সিস্টেম হ্যাক হলে ঢাকার সাইবার আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।

হ্যাকিংয়ের শিকার হলে করণীয়

আপনি বা আপনার প্রতিষ্ঠান হ্যাকের শিকার হলে:

  1. আক্রান্ত সিস্টেম বিচ্ছিন্ন করুন — আরও ক্ষতি বা ডেটা চুরি ঠেকাতে তাৎক্ষণিকভাবে নেটওয়ার্ক থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করুন।
  2. ডিভাইস বন্ধ করবেন না — চালু সিস্টেম বন্ধ করার চেয়ে বেশি ফরেনসিক প্রমাণ সংরক্ষণ করে।
  3. লগ সংরক্ষণ করুন — সার্ভার লগ, অ্যাক্সেস লগ, এরর মেসেজ গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ।
  4. DSA ধারা ১৯-এ পুলিশে রিপোর্ট ও FIR করুন।
  5. গ্রাহক বা কর্মীর ডেটা অ্যাক্সেস হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জানান।

উত্তরায় অ্যাডভোকেট শাহ আলমের সাথে যোগাযোগ করুন।