লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-04-06
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (POA) বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত এবং সবচেয়ে বেশি অপব্যবহারের শিকার আইনি দলিলগুলোর একটি — প্রবাসী পরিবারের হয়ে সম্পত্তি পরিচালনা, মামলায় প্রতিনিধিত্ব বা সম্পত্তি লেনদেনে। সঠিক ধরনের POA বেছে নেওয়া, সঠিকভাবে নিবন্ধন করা এবং প্রতারণার ঝুঁকি জানা পরবর্তী আইনি ঝামেলা এড়ায়। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (POA) হল সেই আইনি দলিল যা একজন ব্যক্তিকে (এজেন্ট) অন্যজনের (অধ্যক্ষ) পক্ষে আইনি, আর্থিক বা সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে কার্য সম্পাদনের ক্ষমতা দেয়। বাংলাদেশে POA পরিচালিত হয়:
সঠিকভাবে তৈরি POA জমি কেনাবেচা, মামলা দায়ের, চুক্তি স্বাক্ষর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পরিচালনা সহ প্রায় সব আইনি কার্য করার ক্ষমতা দিতে পারে — নথিতে সংজ্ঞায়িত সীমার মধ্যে।
দুটি মূল ধরনের পার্থক্য ক্ষমতার পরিধিতে:
মূল নিয়ম: সম্পত্তি লেনদেনে সর্বদা নির্দিষ্ট সম্পত্তি ও লেনদেন উল্লেখ করে স্পেশাল POA ব্যবহার করুন। ব্যাপক GPA বাংলাদেশে প্রতারণার প্রধান উৎস।
বিদেশে থাকা বাংলাদেশিদের (প্রবাসী) জন্য POA-তে অতিরিক্ত পদক্ষেপ প্রয়োজন:
হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশনের দেশগুলোতে অ্যাপোস্টিল স্ট্যাম্প চলে; অন্যত্র দূতাবাসের পূর্ণ সত্যায়ন দরকার। উত্তরায় অ্যাডভোকেট শাহ আলম প্রবাসী পরিবারকে POA প্রমাণীকরণ ও নিবন্ধনে সহায়তা করেন।
POA প্রতারণা বাংলাদেশে ব্যাপক। সাধারণ কৌশল:
POA জালিয়াতির সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিক FIR করুন এবং লেনদেন স্থগিত করতে আদালতের নিষেধাজ্ঞার আবেদন করুন।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।