লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-22 · ১১ মিনিট পড়ুন
বাংলাদেশে ভূমি সংক্রান্ত সেবা অটোমেশন হওয়ার পর এখন ঘরে বসেই ই-নামজারি (e-Namjari) বা মিউটেশনের আবেদন করা এবং আবেদনের বর্তমান অবস্থা ট্র্যাকিং করা সহজ হয়ে গেছে। কিন্তু আবেদনের পর অনেক সময় আবেদন 'বাতিল' বা রিজেক্ট হয়ে যায়, কিংবা শুনানির নোটিশ পাওয়া যায় না। ২০২৬ সালের হালনাগাদ ভূমি সেবার পোর্টালে ট্র্যাকিং নম্বর ব্যবহার করে নামজারি আবেদনের স্ট্যাটাস দেখা, নামজারি খতিয়ান ডাউনলোড করা এবং আবেদন রিজেক্ট হলে আপিল করার সঠিক আইনি পদ্ধতি বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হলো। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
| বিষয় / শর্ত | সরকারি নিয়ম, ফি ও আইন (২০২৬) |
|---|---|
| অফিসিয়াল অনলাইন পোর্টাল | mutation.land.gov.bd, land.gov.bd, dlrms.land.gov.bd ও eporcha.gov.bd |
| মোট সরকারি নামজারি ফি | ১,১৭০ টাকা (কোর্ট ফি ২০ + নোটিশ ৫০ + রেকর্ড সংশোধন ১,০০০ + খতিয়ান ১০০ টাকা) |
| নিষ্পত্তির নির্ধারিত সময় | সাধারণত ২৮ কার্যদিবস (প্রবাসীদের জন্য দ্রুত নিষ্পত্তির বিশেষ ব্যবস্থা) |
| ভূমি সেবা হটলাইন | ১৬১২২ (কল সেন্টার) — ২৪ ঘণ্টা সরকারি ভূমি তথ্য ও অভিযোগ |
| অনলাইন খতিয়ান ও ডিসিআর | অনলাইন পেমেন্টের পর কিউআর কোডযুক্ত ই-খতিয়ান ও DCR ডাউনলোড |
জমি কেনাবেচা, হেবা বা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির আগের মালিকের নাম খারিজ করে সরকারি রেকর্ডভুক্ত ১ নং খতিয়ানে নিজের নামে নতুন খতিয়ান খোলাই হলো নামজারি বা মিউটেশন (Mutation)। বর্তমানে mutation.land.gov.bd পোর্টালে অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে ই-নামজারি করা হয়।
নামজারি না করা থাকলে জমিতে বৈধ স্বত্ব থাকা সত্ত্বেও তা পুনরায় বিক্রি বা ব্যাংক বন্ধক দেওয়া যায় না।
আবেদন সফলভাবে সাবমিট হওয়ার পর সিস্টেমে একটি আবেদন নম্বর বা ট্র্যাকিং নম্বর (Application ID) এবং আবেদনকারীর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর পাওয়া যায়। এই দুটি তথ্য দিয়ে যেকোনো সময় স্ট্যাটাস চেক করা যায়।
mutation.land.gov.bd পোর্টালে যান।আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
এসিল্যান্ড কর্তৃক নামজারি অনুমোদন (Approve) হলে মোবিলে এসএমএস আসবে। এরপর অনলাইনে ১,১০০ টাকা ডি সি আর (DCR) ফি বিকাশ/রকেটের মাধ্যমে জমা দিলে সাথে সাথেই কিউআর কোডযুক্ত সরকারি ই-নামজারি খতিয়ান (E-Khatian) ও ডি সি আর রসিদ ডাউনলোড করা যাবে।
এসিল্যান্ড যদি অন্যায়ভাবে আপনার নামজারি আবেদন বাতিল (Reject) করে দেয়, তবে হতাশ হবেন না। রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর ১৫৩ ধারা অনুযায়ী আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) / ADC Revenue আদালতে 'নামজারি আপিল মামলা' দায়ের করে মঞ্জুর করানো যায়।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।
সাধারণ নামজারির জন্য সরকারিভাবে ২৮ কার্যদিবস এবং প্রবাসীদের বা বিশেষ ক্ষেত্রের জন্য ১২ কার্যদিবস সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে।
অনলাইন খতিয়ানে বানান বা দাগের সামান্য ভুল থাকলে এসিল্যান্ড অফিসে 'রিভিউ/মিস কেস' আবেদন করে বিনামূল্যে সংশোধন করা যায়।