তালাকের পর সন্তানের কাস্টডি ও হেফাজত পাওয়ার আইনি নিয়ম ২০২৬: মা বনাম বাবার অধিকার ও পারিবারিক আদালত
লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-26 · ১৪ মিনিট
⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়।
সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।
স্বামী-স্ত্রীর বিবাহ বিচ্ছেদের পর সবচেয়ে হৃদয়বিদারক জটিলতা সৃষ্টি হয় নাবালক সন্তানের লালন-পালন ও হেফাজত (Hizanat / Custody) নিয়ে। মুসলিম পারিবারিক আইনে সন্তানের স্বাভাবিক আর্থিক অভিভাবক (Legal Guardian) পিতা হলেও নাবালক বয়সে শারীরিক যত্ন ও স্নেহের জন্য <strong>মা প্রাথমিক হেফাজতের (Custody) অধিকারী</strong>। তবে আদালতের মূল বিবেচনা থাকে <strong>“সন্তানের সর্বোত্তম কল্যাণ” (Welfare of the Child)</strong>। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র পারিবারিক আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর বিস্তারিত আইনি গাইডে সন্তানের কাস্টডি মোকদ্দমার নিয়ম বিশ্লেষণ করা হলো। কল করুন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a>।
⚡ সন্তানের হেফাজত (হেজানত) আইন সংক্ষেপে
মায়ের হেফাজতের বয়স: মুসলিম আইনে পুত্রসন্তানের ক্ষেত্রে ৭ বছর পর্যন্ত এবং কন্যাসন্তানের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধিকাল (Puberty) পর্যন্ত মা হেফাজতে রাখতে পারেন।
বাবার ভরণপোষণের দায়িত্ব: সন্তান মায়ের কাছে থাকলেও পিতা তার পূর্ণাঙ্গ খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা ও চিকিৎসার খরচ বহনে আইনত বাধ্য।
মা পুনর্বিবাহ করলে: মা যদি সন্তানের কোনো অনাত্মীয় পরপুরুষের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, তবে পিতা আদালতের মাধ্যমে কাস্টডি দাবি করতে পারেন।
১. সন্তানের অভিভাবকত্ব (Guardianship) ও হেফাজতের (Custody) মধ্যে পার্থক্য
অভিভাবকত্ব বলতে বোঝায় সন্তানের পাসপোর্ট, সম্পত্তি ও আইনি সিদ্ধান্তের অধিকার যা পিতার ওপর ন্যস্ত। হেফাজত বলতে বোঝায় সন্তানের সাথে বসবাস ও পরিচর্যা।
২. মুসলিম আইন ও পারিবারিক আদালত আইন অনুযায়ী মায়ের অধিকার
মা চরিত্রবান ও উপযুক্ত হলে নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত আদালত সন্তানকে মায়ের কাছে রাখার আদেশ দেন।
দায়বর্জন (Disclaimer): এই আর্টিকেলে পরিবেশিত তথ্যসমূহ কেবল আইনি সচেতনতা ও সাধারণ শিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। এটি কোনো প্রত্যক্ষ আইনি পরামর্শ (Legal Advice) নয় এবং এর মাধ্যমে কোনো আইনজীবী-মক্কেল সম্পর্ক (Attorney-Client Relationship) তৈরি হয় না। আপনার সুনির্দিষ্ট মামলার আইনি প্রতিকারের জন্য সরাসরি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বা জজ কোর্টের তালিকাভুক্ত বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।
আইনি সহায়তা বা জরুরি পরামর্শের প্রয়োজন?
যোগাযোগ করুন এডভোকেট মোঃ শাহ আলম: +880 1712-655546 |
WhatsApp
উত্তরা চেম্বার: বাড়ি ৪৬, রোড ৬/বি, সেক্টর ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
কোর্ট চেম্বার: আইনজীবী সমিতি ভবন, ৪র্থ তলা, ৬/৭ কোর্ট হাউস স্ট্রিট, কোতোয়ালি, ঢাকা-১১০০