পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার সঠিক নিয়ম ও অনলাইন আবেদন ২০২৬: পাসপোর্ট ও ভিসা ভেরিফিকেশন
লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-25 · ১০ মিনিট
⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়।
সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।
বিদেশ ভ্রমণ, উচ্চশিক্ষা, ওয়ার্ক পারমিট বা বিদেশি ভিসার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের <strong>অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (Police Clearance Certificate - PCC)</strong> একটি বাধ্যতামূলক নথি। আবেদনকারীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা বা অপরাধের রেকর্ড আছে কি না, তা যাচাই করে এই সনদ দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর এই কমপ্লিট গাইডে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের নিয়ম ও মিথ্যা মামলার কারণে ভেরিফিকেশন আটকে গেলে আইনি সমাধানের উপায় তুলে ধরা হলো। চেম্বার হটলাইন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a>।
⚡ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংক্ষেপে
সরকারি ফি: সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা ট্রেজারি চালান (কোড: 1-2201-0001-2681)।
প্রয়োজনীয় কাগজ: পাসপোর্ট সাইজ ছবি, মূল পাসপোর্টের সত্যায়িত কপি (কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ) এবং জাতীয় পরিচয়পত্র/চেয়ারম্যান সনদ।
ডেলিভারি সময়: অনলাইন আবেদনের পর স্থানীয় থানা ও ডিএসবি (DSB) তদন্ত শেষে ৭ থেকে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সার্টিফিকেট ইস্যু হয়।
১. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কি এবং কাদের জন্য প্রয়োজন
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট হলো বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি অফিসিয়াল প্রত্যয়নপত্র যা নিশ্চিত করে আবেদনকারী কোনো রাষ্ট্রবিরোধী বা ফৌজদারি অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত নন।
২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সরকারি চালানের নিয়ম
পাসপোর্টের ১ম ও ২য় পাতার সত্যায়িত কপি, ৫০০ টাকার সোনালী ব্যাংক ট্রেজারি চালান, জাতীয় পরিচয়পত্র বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রত্যয়নপত্র এবং বর্তমান ঠিকানার প্রমাণপত্র আপলোড করতে হয়।
৩. অনলাইন আবেদন করার ধারাবাহিক ধাপ (PCC Portal Step-by-Step)
pcc.police.gov.bd পোর্টালে একাউন্ট রেজিস্টার করা।
পাসপোর্ট ও ব্যক্তিগত তথ্য নির্ভুলভাবে পূরণ করা।
চালান স্লিপ ও ডকুমেন্ট স্ক্যান করে আপলোড করা।
থানা তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট এসপি/ডিসির অফিস থেকে হার্ডকপি সংগ্রহ।
⚖️ আইনি কেস মূল্যায়ন ও চেম্বার অ্যাপয়েন্টমেন্ট
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
৪. ফৌজদারি মামলা বা জিডি থাকলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার উপায়
যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে পূর্বে মামলা থাকে এবং আদালত থেকে খালাস (Acquittal) বা অব্যাহতি (Discharge) পান, তবে আদালতের সার্টিফাইড রায়ের কপি জমা দিলে ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যায়।
৫. মিথ্যা মামলায় ভেরিফিকেশন আটকে গেলে সুপ্রিম কোর্টের আইনি সহায়তা
রাজনৈতিক বা হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলার ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ রিট আইনজীবীর মাধ্যমে হাইকোর্ট থেকে স্টে অর্ডার বা মামলার কার্যধারা স্থগিত করে ভেরিফিকেশন ক্লিয়ার করা যায়। যোগাযোগ: ০১৭১২৬৫৫৫৪৬।
দায়বর্জন (Disclaimer): এই আর্টিকেলে পরিবেশিত তথ্যসমূহ কেবল আইনি সচেতনতা ও সাধারণ শিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। এটি কোনো প্রত্যক্ষ আইনি পরামর্শ (Legal Advice) নয় এবং এর মাধ্যমে কোনো আইনজীবী-মক্কেল সম্পর্ক (Attorney-Client Relationship) তৈরি হয় না। আপনার সুনির্দিষ্ট মামলার আইনি প্রতিকারের জন্য সরাসরি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বা জজ কোর্টের তালিকাভুক্ত বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।
আইনি সহায়তা বা জরুরি পরামর্শের প্রয়োজন?
যোগাযোগ করুন এডভোকেট মোঃ শাহ আলম: +880 1712-655546 |
WhatsApp
উত্তরা চেম্বার: বাড়ি ৪৬, রোড ৬/বি, সেক্টর ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
কোর্ট চেম্বার: আইনজীবী সমিতি ভবন, ৪র্থ তলা, ৬/৭ কোর্ট হাউস স্ট্রিট, কোতোয়ালি, ঢাকা-১১০০