পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কীভাবে পাবেন? অনলাইন আবেদনের সম্পূর্ণ নিয়ম ২০২৬
লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-09-01 · ১০ মিনিট
⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়।
সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।
<p>বিদেশ যাওয়ার জন্য ভিসা করছেন? চাকরির আবেদন করছেন? নাগরিকত্বের আবেদন করতে চান? — প্রায় সব ক্ষেত্রেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট লাগে। অনেকেই জানেন না কোথায় যাবেন, কী কাগজ লাগবে। এই আর্টিকেলে সব জানতে পারবেন। পরামর্শের জন্য: <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold">অ্যাডভোকেট মোঃ শাহ আলম</a> — <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold">📞 01712655546</a></p>
⚡ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স — মূল তথ্য
অনলাইনে আবেদন: pcc.police.gov.bd
ফি: ৫০০ টাকা (অনলাইন পেমেন্ট)
সময়: ৭-১৫ কার্যদিবস
প্রয়োজনীয় কাগজ: NID, পাসপোর্ট, ছবি, আবেদন ফরম
স্ট্যাটাস চেক: একই পোর্টালে
১. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কী এবং কেন দরকার?
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (PCC) হলো একটি সরকারি দলিল যা প্রমাণ করে আপনার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই।
📋 যেসব ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স লাগে
✈️ বিদেশে চাকরির ভিসা
🎓 বিদেশে পড়াশোনার ভিসা
🏛️ সরকারি চাকরির আবেদন
🇦🇺 নাগরিকত্বের আবেদন
🏦 ব্যাংক লোনের আবেদন
🔑 লাইসেন্স নবায়ন
২. অনলাইনে আবেদনের ধাপ
বর্তমানে বাংলাদেশে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করা বাধ্যতামূলক।
১
pcc.police.gov.bd-এ প্রবেশ করুন
অফিসিয়াল পোর্টালে যান। নতুন হলে "রেজিস্ট্রেশন" করুন।
২
আবেদন ফরম পূরণ করুন
ব্যক্তিগত তথ্য, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর দিন।
সাধারণত ৭-১৫ কার্যদিবসের মধ্যে পাওয়া যায়। তবে ভেরিফিকেশনে দেরি হলে ১ মাসও লাগতে পারে।
ফি কত এবং কীভাবে দেব?
সরকারি ফি ৫০০ টাকা। অনলাইনে ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং (bKash, Rocket) দিয়ে দেওয়া যায়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে মামলা থাকলে কি পাওয়া যাবে?
মামলা থাকলে সাধারণত ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হয় না বা মামলার তথ্য সহ দেওয়া হয়। মামলা খারিজ হলে আবেদন করুন।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের মেয়াদ কতদিন?
সাধারণত ৬ মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকে। ব্যবহারের উদ্দেশ্য অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
বিদেশে থাকলে কি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করা যাবে?
হ্যাঁ, বাংলাদেশি দূতাবাস বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে আবেদন করা যায়।
দায়বর্জন (Disclaimer): এই আর্টিকেলে পরিবেশিত তথ্যসমূহ কেবল আইনি সচেতনতা ও সাধারণ শিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। এটি কোনো প্রত্যক্ষ আইনি পরামর্শ (Legal Advice) নয় এবং এর মাধ্যমে কোনো আইনজীবী-মক্কেল সম্পর্ক (Attorney-Client Relationship) তৈরি হয় না। আপনার সুনির্দিষ্ট মামলার আইনি প্রতিকারের জন্য সরাসরি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বা জজ কোর্টের তালিকাভুক্ত বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।
আইনি সহায়তা বা জরুরি পরামর্শের প্রয়োজন?
যোগাযোগ করুন এডভোকেট মোঃ শাহ আলম: +880 1712-655546 |
WhatsApp
উত্তরা চেম্বার: বাড়ি ৪৬, রোড ৬/বি, সেক্টর ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
কোর্ট চেম্বার: আইনজীবী সমিতি ভবন, ৪র্থ তলা, ৬/৭ কোর্ট হাউস স্ট্রিট, কোতোয়ালি, ঢাকা-১১০০