লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-10-19 · 11 min read
আগুনে পুড়ে যাওয়া, চুরি হওয়া কিংবা স্থানান্তরকালে মূল এসএসসি, এইচএসসি বা আলিম সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে চরম বিপদে পড়তে হয়। অনেকেই দালালদের খপ্পরে পড়ে লাখ লাখ টাকা খোয়ান। অথচ শিক্ষা বোর্ডের সুনির্দিষ্ট ৩টি আইনি ধাপ সম্পন্ন করে খুব স্বল্প খরচে মূল সনদের সমান আইনি ক্ষমতাসম্পন্ন 'ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট' (Duplicate Certificate) উত্তোলন করা যায়।
| বিষয় / শর্ত | সরকারি নিয়ম, ফি ও আইন (২০২৬) |
|---|---|
| অফিসিয়াল আবেদন পোর্টাল | pcc.police.gov.bd (বাংলাদেশ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পোর্টাল) |
| সরকারি চালান ফি | ৫০০ টাকা (সোনালী ব্যাংক ট্রেজারি চালান কোড: ১-২২০১-০০০১-২৬৮১ বা অনলাইন পেমেন্ট) |
| প্রয়োজনীয় কাগজপত্র | পাসপোর্টের তথ্য পাতার কপি (মেয়াদ ন্যূনতম ৩ মাস) ও জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) |
| ভেরিফিকেশন ও ডেলিভারি সময় | সাধারণত ৭ থেকে ১৫ কার্যদিবস (থানা ভেরিফিকেশন ও SP/DC কাউন্টার সাইনসহ) |
| অনলাইন স্ট্যাটাস চেক | pcc.police.gov.bd পোর্টালে পাসপোর্ট বা রেফারেন্স নম্বর দিয়ে চেক |
আগুনে পুড়ে যাওয়া, চুরি হওয়া কিংবা স্থানান্তরকালে মূল এসএসসি, এইচএসসি বা আলিম সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে চরম বিপদে পড়তে হয়। অনেকেই দালালদের খপ্পরে পড়ে লাখ লাখ টাকা খোয়ান। অথচ শিক্ষা বোর্ডের সুনির্দিষ্ট ৩টি আইনি ধাপ সম্পন্ন করে খুব স্বল্প খরচে মূল সনদের সমান আইনি ক্ষমতাসম্পন্ন 'ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট' (Duplicate Certificate) উত্তোলন করা যায়।
বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিচার বিভাগের সুনির্দিষ্ট বিধিমালার আলোকে যেকোনো সনদের ভুল বা তথ্যের অসঙ্গতি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হলফনামার মাধ্যমে আইনগতভাবে নিষ্পত্তিযোগ্য।
প্রশাসনিক যেকোনো কাজে বা শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী নোটারি পাবলিকের চেয়ে ১ম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (First Class Judicial Magistrate) কর্তৃক সম্পাদিত এফিডেভিটের আইনি গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতীত। ৩০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে প্রার্থীর উপস্থিতিতে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের সিল ও স্বাক্ষরে এটি সম্পন্ন হয়।
সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে তাৎক্ষণিক ৩টি কাজ করতে হবে: ১. সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (GD) করা, ২. একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা, এবং ৩. বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের হলফনামাসহ শিক্ষা বোর্ডের ই-সেবা পোর্টালে ডুপ্লিকেট সনদের আবেদন দাখিল করে সরকারি ফি জমা দেওয়া।
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
আবেদনের জন্য মূল সনদ, ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ, পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এবং পাসপোর্ট (যদি থাকে) প্রয়োজন হয়। স্ট্যাম্প ডিউটি ৩০০ টাকা এবং সরকারি বোর্ড ফি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের গেজেট অনুযায়ী প্রযোজ্য হয়।
অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর। সনদপত্র সংশোধন, হলফনামা সম্পাদন, নোটারি এবং শিক্ষা বিষয়ক যেকোনো আইনি সহায়তায় আমাদের উত্তরা বা ঢাকা কোর্ট চেম্বারে সরাসরি সাক্ষাত করতে পারেন।
আমাদের উত্তরা চেম্বারে (হাউস ৪৬, রোড ৬/বি, সেক্টর ১২) প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭:০০টা থেকে রাত ১০:০০টা এবং ঢাকা কোর্ট চেম্বারে সকাল ১০:০০টা থেকে বিকাল ৪:০০টার মধ্যে সরাসরি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে দেখা করতে পারেন।
আমাদের চেম্বার থেকে সাধারণত ১ কার্যদিবসের মধ্যেই ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এফিডেভিটের যাবতীয় ড্রাফটিং ও কোর্ট সিল-স্বাক্ষর সম্পন্ন করিয়ে দেওয়া হয়।