লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-03-21 · ৭ মিনিট পড়ুন
পারিবারিক সহিংসতা — শারীরিক, যৌন, মানসিক বা অর্থনৈতিক — বাংলাদেশে পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০-এর অধীনে আইনিভাবে স্বীকৃত অপরাধ। ভুক্তভোগীরা আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সুরক্ষা পেতে পারেন। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
| বিষয় / শর্ত | সরকারি নিয়ম, ফি ও আইন (২০২৬) |
|---|---|
| প্রযোজ্য আইন ও আদালত | বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ (CrPC) ও সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ |
| আগাম ও নিয়মিত জামিন | হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮ CrPC) ও ম্যাজিস্ট্রেট/দায়রা আদালতে নিয়মিত জামিন |
| সরকারি পোর্টাল ও যাচাই | supremecourt.gov.bd, judiciary.gov.bd, pcc.police.gov.bd ও land.gov.bd |
| জরুরি আইনি পরামর্শ চেম্বার | অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট) — ০১৭১২-৬৫৫৫৪৬ |
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০ বাংলাদেশের প্রধান পারিবারিক সহিংসতা বিরোধী আইন। এটি দেওয়ানি প্রতিকার — সুরক্ষা আদেশ, বাসস্থান আদেশ ও আর্থিক ক্ষতিপূরণ — প্রদান করে। ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট বা পারিবারিক আদালতে আবেদন করা যায়।
তাৎক্ষণিক বিপদে ৯৯৯ নম্বরে কল করুন বা পারিবারিক আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করুন।
আইন অনুযায়ী চারটি প্রধান সুরক্ষা আদেশ পাওয়া যায়:
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
পারিবারিক সহিংসতার সুরক্ষা আদেশের ধাপ:
ঢাকার পারিবারিক আইনজীবী আবেদন প্রস্তুত করতে ও আদালতে প্রতিনিধিত্ব করতে সহায়তা করবেন।
সুরক্ষা আদেশের পাশাপাশি ভুক্তভোগী একই সাথে:
উভয় ট্র্যাক একই সাথে চলতে পারে। উত্তরার পারিবারিক আইন অফিসে গোপনীয় পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।
অতি জরুরি ক্ষেত্রে আদালত আবেদনের দিনেই অন্তর্বর্তী আদেশ দিতে পারে। চূড়ান্ত আদেশ পেতে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে।
হ্যাঁ। বাসস্থান আদেশ নির্যাতনকারীকে বাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য করতে পারে এবং ভুক্তভোগীকে সেখানে থাকার অধিকার দেয়।
আইন অনুযায়ী এটি ফৌজদারি অপরাধ — কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রয়েছে।
আইনগতভাবে হ্যাঁ। তবে একজন পারিবারিক আইনজীবী আবেদন সঠিকভাবে তৈরি করতে ও আদালতে প্রতিনিধিত্ব করতে সাহায্য করবেন।