এসএসসি, এইচএসসি ও আলিম সার্টিফিকেট নাম ও বয়স সংশোধন: শিক্ষা বোর্ড ও কোর্ট এফিডেভিট নিয়ম ২০২৬

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-10-19 · 14 min read

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

এসএসসি, এইচএসসি কিংবা আলিম পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর অথবা উচ্চশিক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ও বিদেশে স্কলারশিপের আবেদনের সময় অনেক শিক্ষার্থী একটি বিব্রতকর আইনি সমস্যায় পড়েন—সনদে নিজের নামের বানান, পিতা-মাতার নাম কিংবা জন্মতারিখে ভুল থাকা। জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা পাসপোর্টের সাথে সার্টিফিকেটের বানানে মাত্র একটি অক্ষরের অমিল থাকলেও বিদেশি দূতাবাস ভিসা বাতিল করে এবং ব্যাংকিং বা সরকারি চাকরিতে ভেরিফিকেশনে মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি হয়। তবে অনেকেই জানেন না যে, শিক্ষা বোর্ডের নির্দিষ্ট নীতিমালা এবং বিজ্ঞ ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে হলফনামা (Court Affidavit) সম্পাদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ আইনসম্মতভাবে সনদের এসব ভুল সংশোধন করা যায়। জানুন ২০২৬ সালের হালনাগাদ সরকারি নিয়মাবলী, ফি এবং ধাপে ধাপে আবেদন প্রক্রিয়া।

: · দেওয়ানি ও জমি বাটোয়ারা মামলা আইনজীবী

এক নজরে মূল তথ্য (Quick Answer Table)

বিষয় / শর্তসরকারি নিয়ম, ফি ও আইন (২০২৬)
প্রযোজ্য আইন ও আদালতবাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ (CrPC) ও সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ
আগাম ও নিয়মিত জামিনহাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮ CrPC) ও ম্যাজিস্ট্রেট/দায়রা আদালতে নিয়মিত জামিন
সরকারি পোর্টাল ও যাচাইsupremecourt.gov.bd, judiciary.gov.bd, pcc.police.gov.bd ও land.gov.bd
জরুরি আইনি পরামর্শ চেম্বারঅ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট) — ০১৭১২-৬৫৫৫৪৬
⚡ এক নজরে
📋 সূচিপত্র
  1. ১. সার্টিফিকেটে কোন কোন ধরনের ভুল সংশোধন করা যায়?
  2. ২. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট এফিডেভিট বনাম নোটারি পাবলিক
  3. ৩. জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নিয়ম
  4. ৪. ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া
  5. ৫. সনদ সংশোধনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি তালিকা ২০২৬
  6. ৬. বয়স বা জন্মতারিখ সংশোধনের বিশেষ আইনি সীমাবদ্ধতা ও শর্তাবলী
  7. ৭. সনদ সংশোধনের জন্য কোর্ট হলফনামার সঠিক আইনি ফরম্যাট
  8. ৮. শিক্ষা বোর্ডের নাম ও বয়স সংশোধন কমিটির শুনানিতে করণীয়
  9. ৯. সংশোধিত সনদ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়ন ও অ্যাপোস্টিল (e-Apostille)
  10. ১০. এফিডেভিট ড্রাফটিং ও বোর্ড জটিলতায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবীর চেম্বার সহায়তা

১. সার্টিফিকেটে কোন কোন ধরনের ভুল সংশোধন করা যায়?

বাংলাদেশ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (Inter-Board Regulations) এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিধিমালা অনুযায়ী প্রধানত চার ধরনের সংশোধন সম্পন্ন করা যায়:

  • নিজের নামের বানান সংশোধন (Candidate Name Correction): সার্টিফিকেটে বাংলা বা ইংরেজি বানানে অক্ষরের ভুল, অতিরিক্ত শব্দ যুক্ত হওয়া বা পদবি বাদ পড়ার সংশোধন।
  • পিতা ও মাতার নাম সংশোধন (Parents' Name Correction): মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা পাসপোর্টের সাথে সার্টিফিকেটে থাকা পিতা-মাতার নামের মিল করার প্রক্রিয়া।
  • জন্মতারিখ বা বয়স সংশোধন (Date of Birth Correction): জুনিয়র দাখিল/জেএসসি এবং ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধনের ভিত্তিতে জন্মতারিখের নির্ভুল সংশোধন।
  • লিঙ্গ বা ধর্ম পরিচয় সংশোধন: রেকর্ড এন্ট্রিতে কোনো করণিক ভুলের কারণে তথ্যের অসঙ্গতি দেখা দিলে তা সংশোধন।

২. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট এফিডেভিট বনাম নোটারি পাবলিক

সার্টিফিকেট সংশোধনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভুলটি হয় এফিডেভিট নির্বাচনে। অনেকেই না জেনে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে কেবল নোটারি পাবলিক (Notary Public) দিয়ে সত্যায়ন করে বোর্ডে জমা দেন, যা বোর্ড তাৎক্ষণিক বাতিল করে দেয়।

শিক্ষা বোর্ডের স্পষ্ট বিধিমালা: নাম ও বয়স সংশোধনের এফিডেভিট অবশ্যই বিজ্ঞ ১ম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (First Class Judicial Magistrate) বা মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Metropolitan Magistrate) কর্তৃক এজলাসে স্বাক্ষরিত ও সিলমোহরযুক্ত হতে হবে। নোটারি পাবলিক শুধুমাত্র দলিল প্রত্যায়ন করতে পারেন, কিন্তু শিক্ষা সনদের ক্ষেত্রে সরকারি প্রবিধান অনুসারে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত হয়ে হলফনামা পাঠ করে স্বাক্ষর গ্রহণ বাধ্যতামূলক।

৩. জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নিয়ম

ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে এফিডেভিট সম্পন্ন করার পর একটি বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় (বাংলা বা ইংরেজি) সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সুস্পষ্টভাবে প্রার্থীর রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পাশের সন, পরীক্ষার নাম, স্কুলের নাম, পূর্বের ভুল নাম এবং এফিডেভিট অনুযায়ী সংশোধিত সঠিক নাম উল্লেখ করতে হয়।

বোর্ডে আবেদনের সময় এই প্রকাশিত পত্রিকার মূল কপি (Original Newspaper Page) সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক।

৪. ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া

বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, দিনাজপুর, বরিশাল, সিলেট এবং মাদ্রাসা বোর্ডের সনদের ভুল সংশোধনের কাজ অনলাইনে সম্পন্ন হয়:

  1. সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ই-সেবা পোর্টালে (e-Services) প্রবেশ করুন।
  2. 'নাম ও বয়স সংশোধন' মেন্যুতে ক্লিক করে আপনার পরীক্ষার নাম (SSC/HSC/Alim), পাশের বছর, রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিন।
  3. ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট এফিডেভিটের স্ক্যান কপি, পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি এবং পিতা-মাতার এনআইডি আপলোড করুন।
  4. সোনালী সেবা বা বিকাশ/নগদের মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত বোর্ড ফি পরিশোধ করুন।
  5. আবেদন সফল হলে একটি ট্র্যাকিং নম্বর পাওয়া যাবে, যা দিয়ে পরবর্তী শুনানির তারিখ চেক করতে পারবেন।

৫. সনদ সংশোধনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি তালিকা ২০২৬

আবেদনের পূর্বে নিচের ডকুমেন্টসগুলো প্রস্তুত রাখতে হবে:

প্রয়োজনীয় নথিপত্রবিবরণ ও শর্ত
১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এফিডেভিট৩০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট স্বাক্ষরিত মূল কপি।
দৈনিক পত্রিকার মূল কপিবিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত জাতীয় দৈনিকের সম্পূর্ণ পৃষ্ঠার মূল কপি।
ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদঅনলাইন ভেরিফায়েড ১৭ ডিজিটের ইংরেজি জন্ম সনদ।
পিতা-মাতার এনআইডি ও পাসপোর্টপিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।
মূল প্রবেশপত্র ও মার্কশিটপরীক্ষার মূল অ্যাডমিট কার্ড, রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও অ্যাকাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশসংশ্লিষ্ট স্কুল বা কলেজের প্রধান শিক্ষকের লিখিত প্রত্যয়নপত্র।
⚖️ আইনি কেস মূল্যায়ন ও চেম্বার অ্যাপয়েন্টমেন্ট

আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।

জরুরি হোয়াটসঅ্যাপ সরাসরি কল: ০১৭১২-৬৫৫৫৪৬

৬. বয়স বা জন্মতারিখ সংশোধনের বিশেষ আইনি সীমাবদ্ধতা ও শর্তাবলী

মনে রাখবেন, শিক্ষা সনদে নাম সংশোধন যত সহজে করা যায়, বয়স সংশোধন অত্যন্ত সংবেদনশীল। বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী এসএসসি বা এইচএসসি পাশের পর বয়স বড় আকারে (যেমন ২-৩ বছর) কমানোর আবেদন সচরাচর গৃহীত হয় না, যদি না প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী বা জেএসসির রেকর্ড অনুযায়ী সুস্পষ্ট করণিক ভুল প্রমাণিত হয়। অতিরিক্ত বয়স কমানোর অপচেষ্টায় জালিয়াতির অভিযোগ উঠতে পারে। তাই বয়স সংশোধনের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক যুক্তি ও প্রমাণসহ এফিডেভিট ড্রাফট করা অপরিহার্য।

৭. সনদ সংশোধনের জন্য কোর্ট হলফনামার সঠিক আইনি ফরম্যাট

একটি নির্ভুল কোর্ট এফিডেভিটে প্রার্থীর পূর্ণ পরিচয়, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড, পাশের সাল, ভুল তথ্য কীভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছিল তার সুস্পষ্ট কারণ এবং সঠিক নামের ঘোষণা আইনগতভাবে লিপিবদ্ধ থাকতে হয়। আমাদের চেম্বার থেকে প্রতিটি এফিডেভিট সুপ্রিম কোর্ট ও জেলা জজ আদালতের অনুমোদিত আইনজীবীদের মাধ্যমে নির্ভুলভাবে ড্রাফট করে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের সিল ও স্বাক্ষর নিশ্চিত করা হয়।

৮. শিক্ষা বোর্ডের নাম ও বয়স সংশোধন কমিটির শুনানিতে করণীয়

অনলাইন আবেদন ও ফি জমার পর বোর্ড একটি নির্দিষ্ট তারিখে প্রার্থী ও তার অভিভাবককে শুনানির (Hearing Meeting) জন্য তলব করে। শুনানির দিন প্রার্থীর সাথে সকল মূল সার্টিফিকেট, পিতা-মাতার মূল এনআইডি, এফিডেভিটের মূল কপি ও পত্রিকার পাতা সাথে রাখতে হবে। বোর্ডের কমিটি কাগজপত্র যাচাই করে অনুমোদন দিলে ওয়েবসাইটে অর্ডার শিট প্রকাশ করা হয় এবং পুরাতন সনদ জমা দিয়ে সংশোধিত নতুন ফ্রেশ সনদ তোলা যায়।

৯. সংশোধিত সনদ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়ন ও অ্যাপোস্টিল (e-Apostille)

যদি আপনার উদ্দেশ্য হয় ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা বা অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা অথবা স্কলারশিপ, তবে নতুন সংশোধিত সনদ উত্তোলনের পর তা প্রথমে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং পরবর্তীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (MOFA) কনস্যুলার শাখা থেকে অ্যাপোস্টিল (e-Apostille) ভেরিফিকেশন ও নোটারি সত্যায়ন করিয়ে নিতে হয়। আমাদের চেম্বার থেকে শিক্ষার্থীদের এই আন্তর্জাতিক ভেরিফিকেশন সেবাতেও সরাসরি সহায়তা দেওয়া হয়।

১০. এফিডেভিট ড্রাফটিং ও বোর্ড জটিলতায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবীর চেম্বার সহায়তা

এডভোকেট মোঃ শাহ আলম বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর। সনদপত্র সংশোধন, ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এফিডেভিট সম্পাদন, নোটারি এবং শিক্ষা বোর্ডের যেকোনো প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতায় আমাদের উত্তরা বা ঢাকা জজ কোর্ট চেম্বার থেকে দ্রুততম সময়ে আইনি সেবা গ্রহণ করতে পারেন।

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

এসএসসি বা এইচএসসি সার্টিফিকেটের নাম সংশোধনে কত দিন সময় লাগে?

ম্যাজিস্ট্রেট এফিডেভিট ও পত্রিকা বিজ্ঞপ্তি ১-২ কার্যদিবসে সম্পন্ন করা যায়। এরপর শিক্ষা বোর্ডে অনলাইন আবেদন জমা দেওয়ার পর বোর্ডের মিটিং শিডিউল অনুযায়ী সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সংশোধিত অর্ডার শিট ও নতুন সনদ পাওয়া যায়।

নোটারি পাবলিকের এফিডেভিট দিয়ে কি শিক্ষা বোর্ড সার্টিফিকেট সংশোধন করবে?

না। শিক্ষা বোর্ডের স্পষ্ট সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নাম ও বয়স সংশোধনের জন্য অবশ্যই ১ম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হলফনামা (Court Affidavit) প্রয়োজন। নোটারি এফিডেভিট বোর্ড কর্তৃক গৃহীত হয় না।

পিতা-মাতার নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রার্থীকে কি বোর্ডে সশরীরে যেতে হয়?

বোর্ডের অনলাইন নাম সংশোধন কমিটির শুনানির দিন প্রার্থী এবং সম্ভব হলে পিতা বা মাতাকে সংশ্লিষ্ট মূল জাতীয় পরিচয়পত্র ও প্রমাণাদিসহ উপস্থিত থাকতে হয়।

সার্টিফিকেট নাম সংশোধনে মোট খরচ কত হয়?

বোর্ডের অফিসিয়াল ফি প্রতি সনদের জন্য সাধারণত ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা। এর সাথে ৩০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প, ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট ড্রাফটিং ও প্রসেসিং ফি এবং পত্রিকা বিজ্ঞাপন বাবদ আনুমানিক মোট খরচ নির্ধারিত হয়।

দায়বর্জন (Disclaimer): এই আর্টিকেলে পরিবেশিত তথ্যসমূহ কেবল আইনি সচেতনতা ও সাধারণ শিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। এটি কোনো প্রত্যক্ষ আইনি পরামর্শ (Legal Advice) নয় এবং এর মাধ্যমে কোনো আইনজীবী-মক্কেল সম্পর্ক (Attorney-Client Relationship) তৈরি হয় না। আপনার সুনির্দিষ্ট মামলার আইনি প্রতিকারের জন্য সরাসরি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বা জজ কোর্টের তালিকাভুক্ত বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।
আইনি সহায়তা বা জরুরি পরামর্শের প্রয়োজন?
যোগাযোগ করুন এডভোকেট মোঃ শাহ আলম: +880 1712-655546  |  WhatsApp
উত্তরা চেম্বার: বাড়ি ৪৬, রোড ৬/বি, সেক্টর ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
কোর্ট চেম্বার: আইনজীবী সমিতি ভবন, ৪র্থ তলা, ৬/৭ কোর্ট হাউস স্ট্রিট, কোতোয়ালি, ঢাকা-১১০০