স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাক দেওয়ার সঠিক নিয়ম ২০২৬: তালাক নোটিশ ও কাবিননামার ১৮ নম্বর কলাম
লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-09-22 · ১৭ মিনিট
⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়।
সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।
<p>দাম্পত্য জীবনে যখন নির্যাতন, যৌতুকের দাবি, পরকীয়া বা মানসিক দূরত্বের কারণে একসাথে বসবাস করা কোনোভাবেই আর সম্ভব হয়ে ওঠে না, তখন অনেক নারীই চরম যন্ত্রণা থেকে মুক্তির পথ খোঁজেন। কিন্তু আমাদের সমাজে প্রচলিত একটি বড় ভুল ধারণা রয়েছে—'তালাক দেওয়ার অধিকার কেবল পুরুষের, নারীরা কোনোভাবেই সরাসরি স্বামীকে তালাক দিতে পারেন না।' বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইনে এটি সম্পূর্ণ অসত্য! বিবাহের সময় সম্পাদিত কাবিননামা বা নিকাহনামায় যদি স্বামীকে তালাক দেওয়ার ক্ষমতা স্ত্রীকে অর্পণ করা থাকে (যা আইনের ভাষায় <strong>তালাক-ই-তৌফিজ</strong> নামে পরিচিত), তবে একজন স্ত্রী সম্পূর্ণ আইনসম্মত উপায়ে তার স্বামীকে ডিভোর্স বা তালাক দিতে পারেন। তবে এই প্রক্রিয়াটি কার্যকর হতে হলে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের নির্ধারিত নোটিশ ও নিয়মাবলী নিখুঁতভাবে অনুসরণ করা আবশ্যক।</p><p>বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী <strong>অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</strong> পারিবারিক আইন, বিয়ে-বিচ্ছেদ ও দেনমোহর বিরোধ নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে আইনানুগ সমাধান প্রদান করে আসছেন। স্ত্রী কর্তৃক আইনি নোটিশ প্রেরণ, নোটিশের জবাব বা পারিবারিক আদালতে দেনমোহর ও খোরপোশ আদায়ে সরাসরি পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করতে পারেন তার চেম্বারের হটলাইনে: <strong>01712655546</strong>। আজকের এই বিস্তারিত নির্দেশিকায় আমরা আলোচনা করব স্ত্রী কীভাবে বৈধভাবে স্বামীকে তালাক দিতে পারেন, কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামের তাৎপর্য এবং ৯০ দিনের নোটিশ প্রক্রিয়ার বিস্তারিত।</p>
⚡ এক নজরে জরুরি তথ্য (Quick Answer)
<strong>তালাক-ই-তৌফিজ:</strong> কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামে যদি স্বামী স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা দিয়ে থাকেন, তবে স্ত্রী স্বামীকে সরাসরি একতরফা তালাক দিতে পারেন।
<strong>খোলা তালাক বা মোবারাত:</strong> কাবিননামায় ক্ষমতা না থাকলেও পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে (খোলা বা মোবারাত) অথবা পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে (ডিভোর্স ডিক্রি) বিচ্ছেদ সম্ভব।
<strong>বাধ্যতামূলক নোটিশ:</strong> তালাক ঘোষণার পর তালাকনামার অনুলিপিসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা সিটি কর্পোরেশন মেয়র বরাবর এবং স্বামীর ঠিকানায় রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নোটিশ পাঠাতে হবে।
<strong>কার্যকরের সময়সীমা:</strong> নোটিশ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে পৌঁছানোর দিন থেকে ঠিক <strong>৯০ দিন (Iddat Period)</strong> অতিবাহিত হওয়ার পর তালাক চূড়ান্ত ও কার্যকর হয়।
<strong>দেনমোহরের অধিকার:</strong> স্ত্রী তালাক-ই-তৌফিজের ক্ষমতাবলে তালাক দিলেও তার সম্পূর্ণ বকেয়া দেনমোহর পাওয়ার আইনগত অধিকার বহাল থাকে।
১. মুসলিম আইনে নারীর বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার
মুসলিম আইন অনুযায়ী বিবাহ একটি ধর্মীয় ও সামাজিক দেওয়ানি চুক্তি। যেহেতু এটি একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি, তাই নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা সমাপ্ত বা বাতিল করার অধিকারও আইনে উভয় পক্ষকে দেওয়া হয়েছে।
১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন (Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939) এবং ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ (Muslim Family Laws Ordinance, 1961)-এর আলোকে নারী প্রধানত তিনটি উপায়ে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারেন:
তালাক-ই-তৌফিজের মাধ্যমে (কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে)।
খোলা তালাক বা মোবারাতের মাধ্যমে (পারস্পরিক সমঝোতায়)।
পারিবারিক আদালতে (Family Court) মামলা করে আদালতের রায়ের মাধ্যমে।
২. তালাক-ই-তৌফিজ কী এবং কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামের ক্ষমতা
মুসলিম নিকাহনামা বা সরকারি কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামে একটি সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন থাকে: "স্বামী স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অধিকার অর্পণ করেছেন কিনা; করিয়া থাকিলে কি শর্তে?"
বিয়ের সময় যদি এই কলামে 'হ্যাঁ' বা 'বিনা শর্তে অর্পণ করা হইলো' লেখা থাকে, তবে স্বামী তার সহজাত তালাকের ক্ষমতা স্ত্রীকে অর্পণ (Delegation of Power) করলেন। এই ক্ষমতাবলে স্ত্রী স্বামীর সম্মতির তোয়াক্কা না করেই স্বামীকে একতরফা তালাক প্রদান করতে পারেন। ১৯৬১ সালের আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যখন এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, তখন আইনের চোখে তা স্বামীর তালাক দেওয়ার মতোই সমান ক্ষমতা ও প্রক্রিয়ায় কার্যকর হয়।
৩. কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামে ক্ষমতা না থাকলে কী করণীয় (খোলা তালাক ও আদালত)
যদি বিয়ের সময় কাবিননামার ১৮ নম্বর ঘরে ভুলবশত 'না' বা কোনো দাগ টানা থাকে, তবে স্ত্রী সরাসরি একতরফা তালাক-ই-তৌফিজ দিতে পারেন না। সেক্ষেত্রে তার সামনে দুটি পথ খোলা থাকে:
খোলা তালাক (Khula): স্বামী ও স্ত্রী উভয়ে বসে আপস মীমাংসা করে বিচ্ছেদ ঘটানো। সাধারণত খোলা তালাকের ক্ষেত্রে স্ত্রী তার দেনমোহরের কিছু অংশ বা সম্পূর্ণ অংশ স্বামীকে ছেড়ে দিতে রাজি হন।
পারিবারিক আদালতে মামলা: স্বামী যদি তালাক দিতে রাজি না হন, তবে ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী স্ত্রী পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারেন (যেমন: ৩ বছর স্বামী নিরুদ্দেশ থাকা, ২ বছর ভরণপোষণ না দেওয়া, শারীরিক বা মানসিক নিষ্ঠুরতা, স্বামীর অপ্রকৃতিস্থতা ইত্যাদি কারণে)। আদালত শুনানি শেষে বিচ্ছেদের ডিক্রি প্রদান করেন।
৪. কাজি অফিসে তালাক রেজিস্ট্রেশন ও হলফনামা সম্পাদন
স্ত্রী কর্তৃক তালাক কার্যকর করার প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা হলো সরকারি নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রারের (কাজি) নিকট উপস্থিত হওয়া:
স্ত্রীকে সশরীরে বা আইনজীবীর মাধ্যমে কাজি অফিসে উপস্থিত হয়ে তালাক ঘোষণার কারণ উল্লেখ করে তালাক রেজিস্টারে স্বাক্ষর ও টিপসহি দিতে হয়।
একটি নোটারি পাবলিক হলফনামা (Affidavit of Talaq) সম্পাদন করা হয় যেখানে কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামের ক্ষমতার উল্লেখ থাকে।
কাজি সরকারি রেজিস্টারে তালাক লিপিবদ্ধ করে একটি মেমোরেন্ডাম প্রস্তুত করেন।
⚖️ আইনি কেস মূল্যায়ন ও চেম্বার অ্যাপয়েন্টমেন্ট
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
৫. চেয়ারম্যান বা মেয়র কার্যালয়ে নোটিশ প্রেরণের বাধ্যতামূলক নিয়ম
১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৭(১) ও ৮ ধারা অনুযায়ী, কেবল কাজি অফিসে তালাক দিলেই তালাক কার্যকর হয় না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাধ্যতামূলক আইনি কাজ হলো নোটিশ প্রেরণ:
স্ত্রীকে যে এলাকায় তিনি বসবাস করছেন বা যেখানে তালাক সম্পাদিত হয়েছে, সেখানকার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভা মেয়র বা সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর বরাবর রেজিস্টার্ড ডাকযোগে লিখিত নোটিশ পাঠাতে হবে।
একই সময়ে নোটিশের একটি অনুলিপি স্বামীর বর্তমান ঠিকানায় রেজিস্টার্ড এডি (AD) ডাকযোগে পাঠাতে হবে।
নোটিশ প্রেরণ না করলে আইনে ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে এবং নোটিশ ছাড়া তালাক আইনত অকার্যকর থাকে।
৬. ৯০ দিনের নোটিশ পিরিয়ড ও সালিশি পরিষদের ভূমিকা
চেয়ারম্যান বা মেয়রের নিকট নোটিশ পৌঁছানোর তারিখ থেকে আইনে বাধ্যতামূলকভাবে ৯০ দিন (ইদ্দতকালীন সময়) গণনা শুরু হয়:
চেয়ারম্যান উভয় পক্ষকে নোটিশ দিয়ে একটি সালিশি পরিষদ (Arbitration Council) গঠন করেন এবং তাদের মধ্যে পুনরায় সংসার জোড়া লাগানোর জন্য আপসের চেষ্টা করেন।
যদি ৯০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ আপস না করে অথবা স্বামী-স্ত্রীর কোনো একজন সমঝোতায় আসতে অস্বীকার করেন, তবে ৯০ দিন পূর্ণ হওয়ার পরের দিন তালাক আইনত সম্পূর্ণ কার্যকর ও চূড়ান্ত হয়ে যায়।
এরপর সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে একটি চূড়ান্ত বিচ্ছেদ প্রত্যয়নপত্র (Talaq Certificate) সংগ্রহ করতে হয়।
৭. স্ত্রী তালাক দিলে কি দেনমোহর ও ভরণপোষণ পাবেন?
একটি বড় কুসংস্কার হলো—'স্ত্রী নিজে তালাক দিলে দেনমোহরের টাকা আর দাবি করতে পারে না।' এটি ডাহা মিথ্যা ও ভ্রান্ত তথ্য।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একাধিক নজির অনুযায়ী, স্ত্রী যদি কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামের ক্ষমতাবলে (তালাক-ই-তৌফিজ) তালাক দেন, তবে তার সম্পূর্ণ বকেয়া দেনমোহর (Prompt ও Deferred Dower) পাওয়ার অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকে। এছাড়া তালাক কার্যকর হওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের ইদ্দতকালীন সম্পূর্ণ ভরণপোষণও স্বামী দিতে বাধ্য থাকেন। স্বামী দেনমোহর পরিশোধ না করলে পারিবারিক আদালতে মামলা করে ডিক্রি জারির মাধ্যমে অর্থ আদায় করা যায়।
৮. অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলমের চেম্বারের আইনি পরামর্শ
তালাক একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর পারিবারিক বিষয়। নোটিশ পাঠানোর প্রক্রিয়ায় বা আইনি ড্রাফটে কোনো ভুল থাকলে স্বামী পরবর্তীতে তালাককে অবৈধ দাবি করে স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ে বা সম্পত্তিতে জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাই শুরু থেকেই সঠিক আইনি পথে হাঁটা উচিত। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম পারিবারিক অধিকার সংরক্ষণ, দেনমোহর আদায় এবং আইনসম্মত তালাক নোটিশ প্রেরণে মক্কেলদের নিখুঁত সহায়তা প্রদান করেন।
পারিবারিক ও বিয়ে-বিচ্ছেদ সংক্রান্ত যেকোনো আইনি সহায়তায় সরাসরি যোগাযোগ করুন:
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট • চেম্বার কনসাল্টেশন
পারিবারিক আইন ও তালাক সংক্রান্ত আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন
স্ত্রী কর্তৃক তালাক নোটিশ প্রেরণ, দেনমোহর আদায়ের মামলা বা পারিবারিক বিরোধে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবীর সাথে সরাসরি কথা বলুন:
স্ত্রী তালাক দিলে কতদিন পর তা চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়?
ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা সিটি কর্পোরেশন মেয়রের কার্যালয়ে নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে ঠিক ৯০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর তালাক আইনত কার্যকর হয়।
তালাক চলাকালীন ৯০ দিনের মধ্যে কি স্ত্রী ভরণপোষণ পাবেন?
হ্যাঁ, তালাক নোটিশ জারির পর থেকে ৯০ দিনের ইদ্দতকালীন সময়ের জন্য স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে সম্পূর্ণ ভরণপোষণ পাওয়ার আইনগত হকদার।
স্বামী যদি তালাক নোটিশ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান তবে কী হবে?
স্বামীর সঠিক ঠিকানায় রেজিস্টার্ড এডি ডাকযোগে প্রেরিত চিঠি 'গ্রহণে অস্বীকৃত' বা 'ফেরত' আসলে আইন অনুযায়ী তা সমন জারি হিসেবেই গণ্য হয় এবং ৯০ দিনের কাউন্টডাউন বন্ধ হয় না।
স্ত্রী তালাক দেওয়ার পর কি পুনরায় আগের স্বামীর সাথে বিয়ে হতে পারে?
হ্যাঁ, ১৯৬১ সালের আইন অনুসারে কোনো হিল্লা বিয়ে ব্যতীত উভয় পক্ষ সম্মত হলে পুনরায় নতুন করে কাবিননামা সম্পাদন করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারেন (যদি না তা ৩ বার তালাকের পূর্ণতা পায়)।
দায়বর্জন (Disclaimer): এই আর্টিকেলে পরিবেশিত তথ্যসমূহ কেবল আইনি সচেতনতা ও সাধারণ শিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। এটি কোনো প্রত্যক্ষ আইনি পরামর্শ (Legal Advice) নয় এবং এর মাধ্যমে কোনো আইনজীবী-মক্কেল সম্পর্ক (Attorney-Client Relationship) তৈরি হয় না। আপনার সুনির্দিষ্ট মামলার আইনি প্রতিকারের জন্য সরাসরি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বা জজ কোর্টের তালিকাভুক্ত বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।
আইনি সহায়তা বা জরুরি পরামর্শের প্রয়োজন?
যোগাযোগ করুন এডভোকেট মোঃ শাহ আলম: +880 1712-655546 |
WhatsApp
উত্তরা চেম্বার: বাড়ি ৪৬, রোড ৬/বি, সেক্টর ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
কোর্ট চেম্বার: আইনজীবী সমিতি ভবন, ৪র্থ তলা, ৬/৭ কোর্ট হাউস স্ট্রিট, কোতোয়ালি, ঢাকা-১১০০